দূরপাল্লার গণপরিবহন চলাচলে মানা হচ্ছেনা সরকারি বিধি
করোনা পরিস্থিতিতে এবং লকডাউন চলাকালীন সারাদেশে দূরপাল্লার গণপরিবহন চলাচলে সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি থাকার পরও চলতে দেখা যাচ্ছে। বুধবার (১২ মে) রাতে ঢাকার সাভারের অবস্থিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার বিশমাইল বাসষ্ট্যান্ডে শ্যামলী পরিবহন যাত্রী নিয়ে ঢাকা ছেড়ে বিভিন্ন জেলার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যেতে দেখা গেছে।
মঙ্গলবার (১১ মে) সরকারি ও বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠান এর ছুটি শুরু হয়েছে। এরপর সাভারে কর্মরতগণ দেশের বিভিন্ন জেলায় লোকাল বাস, ট্রাক, পিক-আপ, ভাড়ায় চালিত মোটরবাইকে করে যে যেভাবে পারছেন, নাড়ীর টানে ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফিরে চলেছেন।
যদিও প্রধানমন্ত্রী করোনায় নিরাপদে থাকার জন্য যার যার কর্মস্থলে ঈদ করার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু ঢাকায় কর্মরত অধিকাংশ চাকুরিজীবীগণ নিজ নিজ বাড়িতে ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে বদ্ধপরিকর। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্তও সাভার, নবীনগর, বাইপাইলসহ উল্লেখযোগ্য স্ট্যান্ডগুলোতে এসে বাড়ি ফিরতে অপেক্ষমান অনেক যাত্রী দেখা গেছে।
বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বিশমাইল বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় শ্যামলী পরিবহন কাউন্টারের সামনে এই প্রতিবেদক দুইটি বাস অপেক্ষমান দেখতে পেয়েছেন। একটিতে যাত্রীরা বাস ছেড়ে দেবার অপেক্ষা করছিলেন। অন্যটির জন্য কাউন্টারে কর্মরত ষ্টাফদেরকে মহাসড়কে অপেক্ষমান যাত্রীদের সাথে যাত্রার বিষয়ে কথা বলতে দেখা গেছে।
সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেন দূরপাল্লার বাসগুলিতে যাত্রী নিয়ে চলেছেন, এব্যাপারে কাউন্টারে কর্মরতদের কাছে জানতে চাইলে তারা জানান, ‘কি করবো, যাত্রীরা যেতে চাচ্ছে।’ তবে সরকার যে দূরপাল্লার বাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন সেটা তারা স্বীকার করেন।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বিশমাইল বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় শ্যামলী পরিবহন কাউন্টারের একটু সামনেই ট্রাফিক পুলিশের বক্স। তবে সেখানে দায়িত্বশীল কাউকে পাওয়া না যাওয়ায় এ ব্যাপারে পুলিশের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সাভার হাইওয়ে থানার (গাজীপুর রিজিয়ন) অফিসার ইনচার্জ এর মুঠোফোনে এবিষয়ে জানতে চেয়ে কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। এজন্য তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আল মামুন খান/বার্তা বাজার/এসজে