নিন্মমানের ইট ব্যবহার করে কাজ করার অভিযোগে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন উপজেলা প্রকৌশলী। তবে ওই সড়কে গিয়ে দেখা গেছে কাজ চলছে পুরোদমে।
ঘটনাটি ঘটেছে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের সন্ধ্যা মোড় থেকে সাঙ্গুরা পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার সড়ক ইটের সলিং দ্বারা উন্নয়ন কাজে।
সোমবার বিকালে সন্ধ্যা গ্রামের ওই সড়কে গিয়ে দেখাগেছে সড়কের দু,পাশেই পড়ে রয়েছে নিন্মমানের ইট। সড়কে দ্রুত ইট বিছিয়ে বালু দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে। কাজ করা মিস্ত্রিরা বলেন, কিছু খারাপ ইট আসছিল। এখন ইট ভালো আসছে। আমরা যে ইট পাবো সে ইট দিয়েই কাজ করবো।
এসময় সন্ধ্যা গ্রামের প্রদীপ বিশ্বাস, দেবা বালা, দেবব্রত বিশ্বাস, আজুসহ অনেকেই বলেন, ঠিকাদার প্রথম থেকেই নিন্মমানের ইট এনে ফেলায়। আমরা বাধা দিলেও কোন কাজ হয়নি। তবে উপজেলা চেয়ারম্যান, ইঞ্জিনিয়ার এসে এ ইট দিয়ে কাজ বন্ধ করার কথা বললেও তারা চলে যাওয়ার পর থেকেই পুনরায় কাজ চলছেই। আমরা তো কোন কাজ বন্ধ হতে দেখেনি। ইটও ফেরত নেয়নি। আমরা এলাকার সহজ সরল মানুষ, এ কারণে তাদের বাধা দিতে ভয় পাই।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান সরদার এন্টার প্রাইজের প্রতিনিধি মোঃ আনিসুর রহমান মুঠোফোনে কিছু ইট খারাপ এসেছিল, বাধা এসেছিল স্বীকার করে বলেন, আমরা ভালো ইট দিয়েই কাজ করছি।
উপজেলা প্রকৌশলী আলমগীর বাদশা বলেন, ওই আড়াই কিলোমিটার সড়কটির ব্যয় আমি এ মুহুর্তে বলতে পারবো না। তবে সড়কটির ইট নিন্মমানের হওয়ার কারণে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যদি ঠিকাদার কাজ করে সেটি তার নিজ দায়িত্বে করবেন।
এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম আজাদ ও জামালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ইউনুছ আলী সরদারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিপ করেননি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আম্বিয়া সুলতানা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মেহেদী হাসান রাজু/বার্তাবাজার/পি