করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সরকার আরোপিত লকডাউন ও বিধিনিষেধ শিথিল করায় রাস্তাঘাটে চলছে গণপরিবহণ শুরু হয়েছে তীব্র যানজট। ঈদের পূর্ব মূহুর্তে দোকান শপিংমল খুলা ও গণপরিবহন চলাচলেল কারণে বাড়ছে ভিড়।
গতকাল বুধবার (০৫ মে) করোনা সংক্রমণের মধ্যে গণপরিবহন চলাচলে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) এক বিজ্ঞপ্তিতে পাঁচ দফা নির্দেশনা দেয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত নির্দেশনাগুলো হলো- আন্তজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে, কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটে উল্লিখিত মোট আসন সংখ্যার অর্ধেকের (৫০%) বেশি যাত্রী বহন করা যাবে না, কোনোভাবেই সমন্বয়কৃত ভাড়ার (বিদ্যমান ভাড়ার ৬০% বৃদ্ধি) অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না, ট্রিপের শুরু ও শেষে জীবাণুনাশক দিয়ে গাড়ি জীবাণুমুক্ত করতে হবে এবং পরিবহন সংশ্লিষ্ট মোটরযান চালক, অন্যান্য শ্রমিক কর্মচারী ও যাত্রীদের বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু পর্যবেক্ষণে দেখা যায় সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র।
করোনা সংক্রমণ রোধে দীর্ঘ ২২ দিন পর গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাসের মোট আসনের অর্ধেক যাত্রী পরিবনের কথা থাকলেও দেখা যায় মানছে না অনেকে। রাজধানতে দেখা যায় অনেক বাসেই অতিরিক্ত যাত্রী উঠানো হচ্ছে। আবার বাসের জন্য রাস্তার মোড়ে মোড়ে যাত্রীদের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছেন
শিকর পরিবহনের চালক সিরাজ মোল্লা বলেন, করোনার কারণে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় এতোদিন বেকার ছিলাম। ঈদের আগে একটু আশা পেলাম। পরিবার নিয়ে একটু ভালোভাবে ঈদটা করা যাবে।
বেশিরভাগ বাসে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে দেখা যায়নি। যাত্রীদের কাছ থেকে ভাড়াও বেশি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
মনঝিল পরিবহনের যাত্রী আরিফ হোসেন বলেন, শনিরআখড়া থেকে গাবতলী অন্য পরিবহনে ভাড়া নেয় ২০ টাকা আর মনঝিলে নিচ্ছে ৩০ টাকা। শুধু মনঝিল পরিবহন নয় আকাশ পরিবহনসহ বিভিন্ন পরিবহনে ভাড়া বেশি নেওয়া হচ্ছে। আকাশ পরিবহনের যাত্রী বলেন, বিজয়নগর থেকে বিশ্ব রোড পর্যন্ত ভাড়া ২০ টাকা। নতুন ভাড়ায় সেটি পড়ে ৩০ টাকা। কিন্তু এখন ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ৩৫ টাকা।
দিশারী পরিবহনের যাত্রী রফিক বলেন, মিরপুর থেকে গুলিস্তানের ভাড়া ছিল ২৫ টাকা। এখন ৪০-৫০ টাকা নিচ্ছে। অর্থাৎ অন্য সময়ের চেয়ে দ্বিগুণ ভাড়া রাখছে।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম