ফিঙ্গার প্রিন্ট ও স্বাক্ষর ছাড়াই জরুরি ভিত্তিতে খালেদা জিয়ার পাসপোর্ট
রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার এমআরপি পাসপোর্তের জন্য আবেদন করা হয়েছে। সাধারণত কেউ এই উপায়ে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করলে তার স্বাক্ষর ও ফিঙ্গার প্রিন্ট থাকা বাধ্যতামূলক হলেও খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে সেই শর্ত শিথিল করা হয়েছে।
জান যায়, খালেদা জিয়ার পাসপোর্টের ফি জমা দেওয়া হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই সেটি দেওয়া হবে। ২০১৯ সালে পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে যায় তার।
পাসপোর্ট আবেদনের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, খালেদা জিয়ার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। তার পক্ষে আবেদন করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী তিনি দ্রুততম সময়ে পাসপোর্ট পাবেন।
উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল করোনা পজেটিভ হন বিএনপির প্রধান এই নেত্রী। রাজধানীর গুলশানের বাসভবনেই তার চিকিৎসা শুরু করেন গঠিত মেডিকেল টিম। পরে ২৭ এপ্রিল তাকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে।
বার্তা বাজার/এসজে