দুর্গাপুর-কলমাকান্দা সড়কের ব্রীজে বড় গর্ত, ঘটতে পারে দুর্ঘটনা
নেত্রকোণার জেলার দুর্গাপুর-কলমাকান্দা আঞ্চলিক সড়কের বুরুঙ্গা এলাকার ভাঙা ব্রিজ নামক কালভার্টটির মেঝেতে ঢালাই উঠে লোহার অংশ বেরিয়ে গেছে। চরম ঝুঁকি নিয়ে ওই সড়কে চলাচল করছেন পথচারীরা। যেকোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। দীর্ঘদিন হলেও ব্রিজটির গর্ত সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট কতৃপর্ক্ষ। গত বুধবার বিকেলে সরেজমিন গেলে গর্ত হওয়া ব্রিজটির এ দৃশ্য চোখে পড়ে।
স্থানীয় ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুগার্পুর-কলমাকান্দা সড়কে বুরুঙ্গা গ্রামের ভাঙা ব্রিজ নামক এ কালভার্ট দীর্ঘদিন ভাঙা থাকায় চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে যানবাহনসহ পথচারীরা। দীর্ঘদিন ধরে সড়কে এমন অবস্থা বিরাজ করলেও সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। ফলে এলাকাবাসী ও পথচারীদের দুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে। রাতের আঁধারে যেকোন পথচারীর বড় ধরনের দূর্ঘটনার সম্মুখীন হতে পারেন বলে শঙ্কায় ভুগছেন তারা।
সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার দুর্গাপুর পৌর এলাকার বুরুঙ্গা ব্রিজ মোড় এলাকায় (দুগার্পুর-কলমাকান্দা) সড়কে সামনে এ কালভার্টটি প্রায় ২মাস আগে ভেঙে যাওয়ায় ওই রাস্তা দিয়ে ছোট-বড়(অতিরিক্ত বালুবাহী ট্রাক) যানবাহন অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে চলাফেরা করছে।
স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, আমার বাসা সংলগ্ন রাস্তার সামনে প্রায় দুই মাস ধরে এ কালভার্ট গর্ত হয়ে পড়ে আছে। ওই ভাঙা কালভার্টে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। সংকেত হিসেবে ভাঙা কালভার্টের ওপর ‘লাল কাপড়’ টানিয়ে রেখেছিলাম। রাতের আঁধারে কে বা কারা সেটি ফেলে দেয়। লোহার পাটাতনের ওপর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে ছোট-বড় যানবাহন দিবা-রাত্রি চলাচল করছে। অতিদ্রুত কালভার্ট টি পুননিমার্ণ করা প্রয়োজন।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আমিনুল ইসলাম মৃধা বার্তা বাজারকে বলেন, কালভার্ট ভাঙা থাকায় সড়কে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ হিসেবে ইতিমধ্যে সাইনবোর্ড টানানো হয়েছে। ব্রিজটি নিমার্ণে জরুরী ভিত্তিতে একটি প্রকল্পের চাহিদা পাঠানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনকে অবগত পূর্বক বালুবাহী ওভার লোডেড গাড়ী চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অতিরিক্ত লোড গাড়ী চলাচলে যেকোন সময় ব্রিজটি ভেঙে বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে। আশা করছি অচিরেই ব্রিজটির একটি সমাধান আসবে।
উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ রাজীব উল আহসান বার্তা বাজারকে বলেন, ঝুঁকিপূর্ন ব্রিজটির ব্যপারে অবগত রয়েছি। তবে উপজেলা প্রকৌশলী এটির পুননিমার্ণ কল্পে চাহিদা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়েছে। তবে অতিরিক্ত লোড ট্রাক চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
রাজেশ গৌড়/বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম