রাজনীতির খেলায় একে অপরকে বিভিন্ন কৌশলে হেনস্তা করার চষ্টা করেন। আর তাই টানা তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়ে এমন মন্তব্য করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, ‘এই প্রথম দেখলাম কোনো প্রধানমন্ত্রী ফোন করলেন না, এতে কিছু মনে করিনি’। কিছুক্ষণ পরেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কার্যালয় থেকে দাবি করা হয় যে, ফোন করেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোনে পাওয়া যায়নি।
এসব কিছুর অবসান ঘটিয়ে বুধবার (৫ মে) মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে নির্বাচনের আগে বা চলাকালে বিরোধীপক্ষের যেসব নেতা বিভিন্ন কটাক্ষ করেছিলেন তাদেরকেও নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন মমতা।
বিরোধীপক্ষের অধিকাংশ নেতাকেই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
দেশটির শীর্ষ একটি পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক সৌজন্য মেনেই শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হবে বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু, রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও সিপিএম নেতা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য, ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিদায়ী বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপি বিধায়ক মনোজ টিগ্গা, গত বিধানসভার বিরোধী নেতা আব্দুল মান্নান, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী, কংগ্রেস সাংসদ প্রদীপ ভট্টাচার্য প্রমুখ।
বিরোধী নেতা-নেত্রী ছাড়াও নিজের দলের বেশ কয়েকজনকেও আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে রয়েছেন ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়,, পুর প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম, ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর (পিকে), দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়, বিদায়ী মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, রাজ্যসভার সাংসদ সুব্রত বক্সীসহ একাধিক নেতা-নেত্রী।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম