হাসপাতালে কমতে শুরু করছে করোনা রোগীর সংখ্যা। সেই সঙ্গে কমছে শনাক্তের হার ও মৃত্যু। তবে এসব নিয়ে এখনই আত্মতুষ্টির সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। চলমান কঠোর বিধিনিষেধ মানার কোন বিকল্প নেই বলে মনে করেন তারা।
শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালে গত মাস জুড়ে প্রতিনিয়ত ২০ জনের উপরে রোগী ভর্তি হতেন। কিন্তু গত সোমবার (৩ মে) সেখানে ভর্তি হয়েছেন মাত্র ২ জন। কমেছে পরীক্ষা ও শনাক্তের হারও।
এদিকে ডিএনসিসি কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালের সবধরনের সক্ষমতা বাড়লেও শুরুর তুলনায় রোগী ভর্তির হার এখন কম।
এ বিষয়ে ডিএনসিসি কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম নাসির উদ্দিন জানান, গত সপ্তাহের তুলনায়েএ সপ্তাহে রোগী কম আসছে। আগে প্রতিদিন ৫০ থেকে ৭৫ জন করোনা রোগী ভর্তি হত এখন সেখানে ১০ থেকে ১৫ জন রোগী ভতি হয়।
অন্যান্য হাসপাতালেও এখন করোনা রোগী ভর্তির সংখ্যা গত মাসের তুলনায় কিছুটা কমেছে। চলমান বিধিনিষেধের ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বলে মনে করেন স্বাস্থ্যবিদরা।
চিকিৎসাবিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক লিয়াকত আলী বলেন, কোথাও থেকে যেন বার্তা না যায় যে আমরা করোনায় সফল হয়ে গেছি। সফলতার চাইতেও আমাদের জোর দিতে হবে সতর্কতাতে কারণ যেকোন সময়ই আবার করোনা হানা দিতে পারে। আমরা শপিংমল খোলা নিয়ে একটু দুশ্চিন্তায় আছি।
বর্তমানে রাজধানীর ১২টি সরকারি হাসপাতালে থাকা ২৬২ টি আইসিইউ শয্যার মধ্যে ৮২টি এখন ফাঁকা রয়েছে।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম