সোমবার সকালে শিবচর কাঁঠালবাড়ি ঘাটের অদুরে পদ্মা নদীতে নোঙর করা একটি বাল্বহেডের সঙ্গে অতিরিক্ত যাত্রীবাহী স্পিডবোট সংঘর্ষে নিহত ২৬ জনের মধ্যে থাকা একজন মাদারীপুর জেলার রাজৈরে তাহের মীরের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। নিহত তাহের মীর (৩৫) রাজৈর উপজেলার বদরপাশা ইউনিয়নের শংকরদী গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে।
মঙ্গলবার সকালে নিহতের বাড়ি গিয়ে জানা যায়, মা, স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে তার সংসার। সে ঢাকার উত্তরায় ফার্নিচারের কাজ করতো। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলো তাহের। তাকে হারিয়ে নির্বাক হয়ে পড়েছেন সংসারের সকল সদস্য। রোববার রাতে সেহরি খাওয়ার সময় তাহের তার স্ত্রীকে মোবাইলে ফোন করে বলেছিল আমি বাড়িতে এসে ঈদের মার্কেট করে দিবো।
এসময় নিহত তাহেরের স্ত্রী সুফিয়া বেগম কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, ‘আমার শাশুরী হাসিনা বেগম (৬৫) ছেলে ছাব্বির মীর (১৮), বড় মেয়ে তানহা আক্তার (১৪) ও ছোট মেয়ে রাদিয়া আক্তার (৭)। আমার ছেলে মেয়েরা লেখা পড়া করে। এখন কিভাবে এদের ভরনপোষন ও লেখাপড়ার খরচ চালাবো আপনারাই বলেন।
নিহত তাহেরের সাথে থাকা ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া একই এলাকার মো. মারুফ ও সোহাগ মীর জানান, ‘সোমবার সকালে আমরা এক সাথে তিনজন বাড়িতে আসার জন্য স্পিডবোটে উঠি। এসময় স্পিডবোট চালক অনেক গাদাগাদি করে লোকজন বোঝাই করে দ্রুত গতিতে চালানোর ফলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আকাশ আহম্মেদ সোহেল/বার্তাবাজার/পি