রাজধানীর রাস্তায় যানজট আর শপিংমলে জনজট

করোনা ভাইরাসের প্রকোপ ঠেকাতে চলমান লকডাউন ও বিধিনিষেধের মধ্যেও ঢাকার রাস্তায় গাড়ির চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে ট্রাফিক পুলিশকে।

রাস্তায় গণপরিবহন না থাকলেও ব্যক্তিগত গাড়ি, রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার ভিড় দেখে বোঝার উপায় নেই; দেশে লকডাউন চলছে। আবার ঈদ শপিংকে ঘিরে শপিংমলগুলোতে বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। মার্কেট এলাকার সড়কগুলোতেই সবচেয়ে বেশি যানজট।

দেশে করোনার সংক্রমণ রোধে গত মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে যে লকডাউন শুরু হয়েছিল তখনকারের চেয়ে এবারের চিত্র অনেকটাই ভিন্ন। সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জনমনে আতঙ্ক থাকলেও কমার সঙ্গে সঙ্গে ঠিকই রাস্তায় বের হয়ে পড়েন তারা। ঈদকে সামনে রেখে শপিংমলগুলো খুলে দেওয়ার ঘোষণার পর লকডাউনের বিধি-নিষেধ একেবারেই মানা হচ্ছে না বলে জানা যায়। এছাড়া সচেনতার অভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানার দিকে খেয়াল নেই অধিকাংশ মানুষের মাঝে।

গতকাল রোববার (২ মে) রাজধানীর শান্তিনগর, পল্টন, মগবাজার ও বাড্ডা এলাকা ঘুরে প্রতিটি সড়কেই চোখে পড়েছে গাড়ির অতিরিক্ত চাপ। মোড়ে মোড়ে ছিল ভয়াবহ যানজট। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রিকশায় করেই যাতায়াত করছেন সাধারণ মানুষ। ঢাকার সড়কে গতকাল যানজট ছিল গত এক মাসে সবচেয়ে বেশি। কর্মস্থলমুখী মানুষের বাইরে অন্যান্য পেশার মানুষও কাজে বের হচ্ছেন।

এদিকে রাস্তায় বেড়েছে রাইড শেয়ারিংয়ের গাড়ি। অ্যাপস ছাড়া ব্যক্তিগতভাবেই মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালাচ্ছেন চালকরা।

এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেলিন চৌধুরী বলেন , কিছু শর্ত সাপেক্ষে লকডাউন তুলে যায়। কিন্তু সরকার সেদিকে নজর বাড়াচ্ছে না। আবার শপিংমলসহ ব্যক্তিগত যানবাহন ও মানুষের অবাধ যাতায়াতে লকডাউন বলে কিছু থাকছে না। যেভাবে মানুষ শপিংমলমুখী হয়েছে তাতে ঈদের পর করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর