সাভারে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সুবর্ণ জয়ন্তী পালন

ঢাকার সাভারে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সুবর্ণ জয়ন্তী পালিত হয়েছে। রবিবার (২ মে) সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সভা কক্ষে আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করা হয়।

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এবং সাভার উপজেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব ডা. মোঃ সায়েমুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এসময় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও, এমওডিসি, মেডিকেল কনসালটেন্ট সহ মেডিকেল অফিসারগণ।

এসময় ডা. সায়েমুল হুদা বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আমি একজন গর্বিত সৈনিক। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বর্তমান সুযোগ্য মহাপরিচালক স্যারের নেতৃত্বে আমরা নিরলসভাবে মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছি।এই দিনে স্মরণ করছি জাতির পিতাকে, তার অবদান চিকিৎসক সমাজ আমৃত্যু মননে লালন করবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিচক্ষনতায় আমরা ভ্যাকসিন কার্যক্রম সফলতার সাথে চালিয়ে যাচ্ছি। আমি বিশ্বাস করি বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা বিশ্ব দরবারে রোল মডেল হবে।

এদিকে, রবিবার (২ মে) স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বিস্মৃতপ্রায় স্বাস্থ্য সেনাদের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় স্বাস্থ্য অধিদফতর ভার্চুয়াল আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। স্বাস্থ্য
মহাপরিচালকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ১৯৭১ সালের ২ মে মুজিবনগর সরকারের প্রথম অধিদফতর হিসেবে গঠিত হয় স্বাস্থ্য অধিদফতর। প্রতিষ্ঠার পর থেকে মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বর্তমানে চলমান করোনা মহামারীতেও স্বাস্থ্য অধিদফতর সীমিত জনবল ও নানা সীমাবদ্ধতা নিয়েও দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কাজ করে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন নির্বাহী ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই অধিদফতরের প্রধান কাজ দেশের সর্বস্তরে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, কর্মপরিকল্পনা এবং প্রশাসনিকভাবে বিভিন্ন নীতি কার্যকর করা। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদফতর প্রয়োজনে মন্ত্রণালয়কে স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কিত দিক নির্দেশনা প্রণয়নে কারিগরী সহযোগিতাও প্রদান করে থাকে।

প্রসঙ্গত আরও উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য অধিদফতরের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, সংস্থাটি স্বাধীনতাপূর্ব ১৯৫৮ সালে স্বাস্থ্য পরিদফতর নামে স্থাপিত হয়। ১৯৮০ সালে এটি স্বাস্থ্য অধিদফতরে উন্নীত হয়। মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁকে দুই জন অতিরিক্ত মহাপরিচালক সহায়তা করেন। এছাড়া লাইন ডাইরেক্টর (বিষয়ভিত্তিক পরিচালক), পরিচালক, উপ-পরিচালক, সহকারি পরিচালক, চিকিৎসা কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মরত আছেন। সকল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিভাগীয় স্বাস্থ্য কার্যালয়ে পরিচালকরা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।

মোঃ আল মামুন খান/বার্তাবাজার/ভিএস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর