হারতে হারতেও জিতেও গেলেন মমতা

পশ্চিমবঙ্গে চলছে বিধানসভা নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে টানা তৃতীয়বারের মত ক্ষমতায় বসায় পথ প্রায় পাকা করে ফেলেছে মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে থাকা তৃণমূল কংগ্রেস। ২০৮টি আসন পেয়ে তাদের জয় একমত নিশ্চিতও বলা যায়।

তবে শঙ্কা ছিল মমতা নিজেই জিতবেন না কি হারবেন। কারণ তার নির্বাচনী এলাকা নন্দীগ্রামে প্রতিপক্ষ হয়ে দাড়িয়েছিলেন এক সময় তার ছায়াতলে থাকা শূভেন্দু অধিকারী। তিনি এবার বিজেপির হয়ে লড়ছেন। সেখানে ৩ হাজারের ভোটে পিছিয়ে ছিলেন মমতা। নির্বাচনের খেলা গড়ায় ষষ্ঠ রাউন্ড পর্যন্ত।

জমি আন্দোলনের ভূমিতে শেষমেশ মমতা বন্দ্যাপাধ্যায়ের মুখেই হাসি ফুটল। তৃণমূলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে বিজেপি-তে যাওয়া শুভেন্দু অধিকারীকে পরাজিত করলেন তিনি। সংবাদ সংস্থা এএনআই জানাচ্ছে, ১২০১ ভোটে নন্দীগ্রামে জিতেছেন মমতা।

এর আগে মমতা হেরে গেলে তিনি মূখ্যমন্ত্রী হিসেবে থাকবেন কি না এমন প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছিল মানুষের মুখে মুখে। তৃণমূলের বিধায়করা যদি মমতাকে নেত্রী নির্বাচিত করেন, সেক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী হতে তার কোনো বাধা থাকবে না বলেও গুঞ্জন উঠেছিল। এবার জয়ের মাধ্যমে সেই শঙ্কা উড়ে গেল।

এর আগে ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ভোটে মমতা নিজে লড়েননি। তখন কেন্দ্রে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। এদিকে নির্বাচনে তৃণমূল জিতে তাকে নেত্রী নির্বাচিত করে। পরবর্তীতে মমতা লোকসভা থেকে পদত্যাগ করেন মমতা। এরপর কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনে জিতে মুখ্যমন্ত্রী পদ নিজের কাছের রাখেন মমতা। সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস/আনন্দবাজার/ভারতীয় সংবিধান।

বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর