রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ বিপুল পরিমাণ চোরাই স্বর্ণলঙ্কারসহ দুই পাচারকারীকে গ্রেফতার করেছে।
স্বর্ণালঙ্কার গুলোর মোট ওজন ১ কেজি ২১০ গ্রাম। যার মধ্যে রয়েছে ১৬৭ জোড়া কানের দুল, চুড়ি ১৬ টি, আংটি ৯টি, ব্যাচলেট ১৯টি। স্বর্ণালংকারগুলোর বর্তমান বাজার মূল্য ৬৬ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা।
এ বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার এস আই মাছরুল আলম বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
তিনি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল তায়াবীরের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে অভিযান চালিয়ে শুক্রবার বিকেলে এ স্বর্ণলঙ্কারগুলো উদ্ধার করি।এ সময় স্বর্ণ পাচারের সাথে জড়িত থাকার দায়ে দুই পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলো গৌরাঙ্গ দত্ত (৪৫) ও তাপস বনিক (৫৫)।
গৌরাঙ্গ দত্তের পিতার নাম ক্ষিতীশ চন্দ্র দত্ত।তিনি ঢাকার পশ্চিম উত্তরা থানার ১৩ নং সেক্টরের ২০ নং রোডের ১১ নং বাসার বাসিন্দা।তাপস বনিকের পিতার নাম পিনেশ চন্দ্র বনিক ওরফে রমেশ বনিক।তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের কাজী পাড়ার (বনিক পাড়া)বাসিন্দা।
এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, স্বর্ণালঙ্কারগুলোর বিষয়ে ধৃত আসামীরা কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। এগুলো ভারত থেকে অবৈধভাবে পাচার করে আনা হয়েছে বলে তারা স্বীকার করেছেন। গোয়ালন্দ মোড় হতে রিক্সাযোগে আসামী তাপস শুক্রবার বেলা সোয়া ২ টার দিকে স্বর্ণালংকারগুলো নিয়ে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের দিকে আসছিল। আমরা গোপন সংবাদ পেয়ে তাকে দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় আটক করি।পরে তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী অপর আসামি ও তার সহযোগী গৌরাঙ্গকে বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে ফেরিঘাট এলাকা থেকে আটক করি।
এ বিষয়ে শুক্রবার রাতেই থানায় মামলা দায়েরের পর শনিবার (১ মে) আসামিদের আদালতের মাধ্যমে রাজবাড়ীর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মেহেদী হাসান রাজু/বার্তাবাজার/পি