প্রতিমন্ত্রী পলকের চোখে স্বপ্ন দেখে চলনবিলের লক্ষ মানুষ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি একজন সফল আইসিটি প্রতিমন্ত্রীর সাথে সাথে সিংড়ার ও চলনবিলের উন্নয়নের রূপকারও বলা যায় উনাকে।

তরুণ যুব নেতা জুনাইদ আহমেদ পলকের বাবার পদানুসরণ করে মাত্র ২০ বছর বয়সে রাজনীতিতে আসেন এবং ২০০৮ সালে মাত্র ২৮ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ঠ সংসদ সদস্য হন তিনি।

২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি নির্বাচিত সরকারের সংসদ সদস্য এবং ডাক এবং টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ১৭ মে ১৯৮০ সালে নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার সেরকোল তেলিগ্রামে জন্মগ্রহণ তিনি। জুনাইদ আহমেদ পলক শুধু রাজনীতিবিদ নন একজন বাংলাদেশী আইনজীবীও। ১৯৯৫ সালে সিংড়া দমদমা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও ১৯৯৭ সালে রাজশাহী ওর্ল্ড ডিগ্রি কলেজ (বর্তমানে রাজশাহী কলেজ নামে পরিচিত) থেকে এইচএসসি পাশ করেন।

পরবর্তীতে ঢাকা কলেজ হতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিনে এল.এল.বি ডিগ্রি অর্জন করে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত হন।

বাবা ফয়েজ উদ্দিন এবং মায়ের নাম জামিলা আহমেদ। স্ত্রী আরিফা জেসমিন (কনিকা)। অপূর্ণ, অর্জুন অনির্বান এ দম্পতির তিন সন্তান।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর নানা কর্ম ব্যস্ততাও উনার নির্বাচনী এলাকার মানুষের কষ্ট ভুলতে দেয়নি। সব সময় উনার যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে লক্ষ করলে দেখা যায় উনার এলাকার কর্মজগ্যের চিত্র। হাওর এই অঞ্চলের মানুষ গুলোকে করে দিয়েছেন পাকা রাস্তা, স্কুল,কলেজসহ নানা স্থাপনা। সকল সমস্যার কথা শুনতে দেখা যায় ফসলের মাঠে কৃষকের সাথে।

সম্প্রতি দেখা যায় সিংড়ার লালোর ইউনিয়ন এর ৪ নং ওয়ার্ড থেকে ২ নং এর মানুষ ও যানবাহন চলাচল করার একমাত্র রাস্তা বন্যায় ভেঙে যাওয়া রাস্তাটি মাত্র ৯ মাসেই সংস্কার করে দিয়েছেন তিনি। উনার এই কর্মকান্ডে এলাকার সাধারণ মানুষের স্বপ্ন আস্তে আস্তে বাস্তবে রূপ পাচ্ছে বলে জানান উনার নির্বাচনী এলাকার মানুষেরা।

রবিন খান/বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর