করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের উর্ধ্বগতিতে দেশের নিম্নআয়ের ৬ লাখ পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ২ হাজার ৫১৫ টাকা করে অর্থসহায়তা করা হবে।
অর্থসহায়তার এ টাকা আগামী ২ মে থেকে বিতরণ করা শুরু হবে। মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস নগদ, বিকাশ এবং রকেটের মাধ্যমে তালিকাভুক্তদের মোবাইলে পৌঁছে যাবে টাকা।
বুধবার (২৮ এপ্রিল) ৬ লাখ পরিবারের জন্য ১৫০ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ের জন্য সরকারি মঞ্জুরি জ্ঞাপন করা হয়েছে।
জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী কতৃক ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত কর্মহীন ও দরিদ্রদের জন্য নগদ সহায়তা দেয়ার জন্য চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে অর্থ বিভাগের অধীন ‘মুজিব শতবর্ষে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ পরিবারের মধ্যে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান’ শীর্ষক কোডের আওতায় ‘বিশেষ অনুদান’ খাতে ৭৫৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। এই বরাদ্দ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে জনপ্রতি ২ হাজার ৫১৫ টাকা হারে দ্বিতীয় ধাপে ছয় লাখ পরিবারকে ১৫০ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ের জন্য আজ বুধবার সরকারি মঞ্জুরি জ্ঞাপন করা হয়েছে।
সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এক লাখ কৃষক পরিবারও ৫ হাজার টাকা করে অনুদান পাবেন। এ জন্য ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবারের তালিকা করে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এর আগে গত বছর করোনা সংকটের প্রথম ধাপে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৩৫ লাখ পরিবারকে অর্থসহায়তা প্রদান করা হয়েছিল। তবে ওই সময় যাচাই-বাছাই করে ৫০ লাখ পরিবারের তালিকা করা হয়েছিল।
এ ব্যাপারে অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, গত বছর করোনায় যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা পেয়েছিল। তাদের তথ্য ডাটাবেজে সংরক্ষিত আছে। এবারও তারাই টাকা পাবেন।
তারা আরো বলেন, আগামী ২ মে থেকে ৬ লাখ পরিবারকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ২ হাজার ৫১৫ টাকা পাঠানো শুরু হবে। এর বাইরে নতুন করে শুধুমাত্র কৃষকদের জন্য ৫ হাজার টাকার অনুদানের যাচাই-বাছাইয়ের কাজটি করা হচ্ছে।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম