ধামইরহাটে কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ বিপাকে ক্রেতারা

নওগাঁর ধামইরহাটে খোলা বাজারে চড়া দামে কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে মৌসুমী ফল তরমুজ। ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। নিয়মিত বাজার মনিটরিং করলে এসব চক্র থেকে রক্ষা পাবেন ক্রেতারা এমনটা মনে করছেন সচেতন ভুক্তভোগীরা।

মাত্র সপ্তাহ খানেক আগে উপজেলার অন্তর্গত বিভিন্ন হাট-বাজার সহ গ্রামের মোড়ে মোড়ে ২৫ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছিল তরমুজ। একদিকে করোনার অযুহাত অন্যদিকে প্রচন্ড খরতাপে তা একলাফে ৬০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রয় হতে দেখা গেছে।

অভিযোগ উঠেছে বাজারের কিছু অসাধু ব্যাবসায়ীরা সিন্ডিকেট তৈরী করে দিনের পর দিন সাধারণ ক্রেতাদের কাছে সুজুক বুঝে চড়া দাম হাকাচ্ছেন। অথচো মাঠ পর্যায়ে তরমুজের দাম অনেক কম হলেও বাজারে কেন চড়া দামে বিক্রয় করা হচ্ছে তার কোন সদুত্তর মিলছেনা। শুধু তাই নয়, পাইকারী বাজারে দোকানিরা প্রতি পিচ হিসেবে তরমুজ কিনলেও খুচরা বাজারে তারা বিক্রি করছেন কেজির মাপে। ফলে একেকটা তরমুজের দাম বেশি হওয়ায় কিনতে পারছেন না সাধারণ ক্রেতারা।

বাজারে তরমুজ কিনতে আসা আব্দুর রহমান বলেন, ’তিনদিন আগে তরমুজ কিনেছি তিরিশ টাকা কেজি দরে। আজ বলছে ষাট টাকা কেজি। এভাবে দাম বাড়লে কিভাবে তরমুজ কিনবো বুঝতে পারছিনা’।

আমাইতাড়া বাজারের তরমুজ বিক্রেতা মো. আফতাব হোসেন জানান, জয়পুরহাটের মোকাম থেকে আমরা ২৩ হাজার থেকে প্রকার ভেদে ৩৫ হাজার টাকায় ১শত তরমুজ কিনেছি। বিক্রি করছি ৬০ টাকা কেজি দরে। তবে তিনি এটাও বলেন, আগের সপ্তাহে যে তরমুজ ১৩ থেকে ১৬ হাজার টাকায় কিনেছি তা সপ্তাহের ব্যবধানে এক লাফে বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।

এদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গনপতি রায় জানান- আমরা বাজার মনিটরিং চালাচ্ছি দ্রুত এই বিষয়টি দেখা হবে।

রেজুয়ান আলম/বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর