নারী ক্রেতাদের ভিড় কেরানীগঞ্জের মার্কেটগুলোতে

মার্কেট খুলে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই হুমড়ি খেয়ে পড়েছে ক্রেতারা। তীব্র গরম এবং করোনার ঝুঁকি- দুটোই উপেক্ষা করে রাজধানী ঢাকার কেরানীগঞ্জের মার্কেটগুলোতে এখন উপচে পড়া ভিড়। কোথাও নেই স্বাস্থ্যবিধির বালাই।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) কেরানীগঞ্জ উপজেলার আব্দুল্লাপুর, কাঠুরীয়া, লায়ন সপার্স ওয়ার্ল্ড ও ফ্যামিলি শপিং মলসহ বেশ কিছু মার্কেট ঘুরে দেখা যায় ক্রেতাদের সরব উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে উঠেছে মার্কেটগুলো। মূলত সকাল থেকেই ক্রেতাদের উপস্থিতি থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে ক্রেতার সংখ্যা।

প্রতিটি মার্কেটেই ক্রেতাদের ভিড় রয়েছে। ক্রেতাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যায় বেশি। শিশুদের ঝুঁকি জেনেও মায়েরা তাদের সাথে করে নিয়ে এসেছেন।

এদিকে মার্কেট কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেটে প্রবেশের কথা বললেও তা মানছে না কেউ। গাদাগাদি করে নারী ও শিশুরা মহা আনন্দে মার্কেট করছেন। ক্রেতা-বিক্রেতাদের প্রায় বেশীর ভাগের মুখে মাস্ক থাকলেও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি কেউ মানছেন না। তবে বিক্রেতাদের চেয়ে ক্রেতাদের স্বাস্থ্য বিধি না মানার প্রবণতাটাই বেশি লক্ষ্যণীয়। ক্রেতারা হুমড়ি খেয়ে জিনিসপত্র দেখছেন। অন্যদিকে বিক্রেতারাও হ্যান্ড স্যানিটাইজ করা কিংবা জীবাণুনাশক স্প্রে করা কোনোটাই চোখে পড়েনি। এক কাস্টমার গেলে আরেক কাস্টমারকে কিভাবে দোকানে বসানো যায় তাই নিয়ে হাক ডাকে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন দোকানিরা। নেই সামাজিক দূরত্বের কোনো বালাই। শুধু মার্কেট-শপিংমলের ভেতরে দোকানই নয় বরং মানুষে ঠাসা ছিল কাঠুরীয়ার ফুটপাতের দোকানগুলোও।

রফিক নামের এক দোকানি বলেন, বেশিরভাগ ক্রেতাই থুতনিতে মাস্ক রেখে কথা বলে। কেউ আবার মাস্ক খুলে পকেটে রেখে দোকানে ঢুকে হাঁচি দেয়। না করি। শুনেনা। সচেতন করার চেষ্টা করি। কিন্তু তাদের মানাতে পারি না। তবে অনেকে আবার সচেতন। এদেরকে কিছু বলতে হয় না। এরা বরং উল্টো আমাদের সচেতন থাকতে বলে।

আব্দুল্লাপুর এলাকায় শিশু নিয়ে মার্কেটে আসা সুমি আক্তার নামে এক গৃহিণী বার্তা বাজারকে বলেন, অনেক দিন লকডাউনে ঘড় বন্দী ছিলাম কোথায়ও যেতে পারিনি। এছাড়াও অনেকদিন হলো বাচ্চার কেনাকাটা করিনা। তাই ভাবলাম বাসার কাছের মার্কেট থেকে বাচ্চার কিছু কেনা-কাটা করি। কিন্তু মার্কেটে এসে দেখি মহিলাদের অনেক ভিড়। যেই দোকানে যাই সেখানেই মহিলাদের ভিড়। এর মধ্যে অনেকের মুখেই মাস্ক নেই। এতো ভিড় আগে বুঝলে বাচ্চা নিয়ে মার্কেটে আসতাম না।

রানা আহমেদ/বার্তাবাজার/ভিএস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর