দেশের চালের উর্ধ্বমূখী বাজার নিয়ন্ত্রণে ভারত থেকে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু দেশটিতে থেকে আসা তৃতীয় চালেনের চালে বিশেরভাগই নিম্নমানের। তাই পণ্য খালাস বন্ধ রাখা হয়েছে।
চালের নমুনা খাদ্য অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনে এসব চাল আবারও ভারতে ফেরত পাঠানো হতে পারে বলে জানিয়েছে খাদ্য বিভাগ।
বগুড়ার সান্তাহার কেন্দ্রিয় খাদ্য সংরক্ষণাগার সূত্রে জানা যায়, দেশের অভ্যন্তরীণ খাদ্য সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয় জি টু জি চুক্তির আওতায় ভারত থেকে রেলপথে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়।
সেই মোতাবেক গত ৩ এপ্রিল থেকে রেলপথে বাংলাদেশের দর্শনা স্থলবন্দর হয়ে ভারত থেকে ৫ র্যাকে ২শ’ ৫ ওয়াগন চাল বাংলাদেশে প্রবেশ করে বগুড়ার সান্তাহার জংশন স্টেশনে পৌঁছায়। আমদানি করা চালের পরিমাণ প্রায় ১২ হাজার ৯৫ মেট্রিক টন। এর মধ্যে সাতটি ওয়াগনে প্রায় ৩৫৪ মেট্রিক টন চাল বিবর্ণ, বিনষ্ট ও মরা পাওয়া গেছে।
বিষয়টি খাদ্য বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বগুড়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আরিফুজ্জামান।
বার্তা বাজার/এসজে