পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলায় এস.এস.সি ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে মাদ্রা পল্লি মঙ্গল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে। বিদ্যালয়টির বিজ্ঞান বিভাগে জনপ্রতি ৩ হাজার টাকা, মানবিক ও বানিজ্যিক বিভাগে শিক্ষার্থী প্রতি ২৭৫০ টাকা করে ফি নেয়া হয়েছে। ফি আদায়ে কোন শিক্ষার্থীদের রিসিভ দেয়নি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
তবে, এ বিষয়ে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বাদল কুমার নাগ বলেন, কত ফি নেয়া হয়েছে তা একমাত্র বোর্ড, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া কারো কাছে জবাবদিহি করতে রাজি না বলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান।
তিনি আরো বলেন, অতিরিক্ত ফি নেয়ার ব্যপারে কেহ আপনাদের বলে থাকলে, পারলে আমার সামনে আনেন।
নাম না প্রকাশ শর্তে ওই বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সবসময় সেচ্ছাচারিতায় যখন যা খুশি করেন। ফি এর ব্যাপারে কিছু জানতে চাইলে যাচ্ছে তাইভাবে অপমানিত হতে হয় তার কাছে। তাই ওই শিক্ষকের রোসানলে পড়ে যাতে ছেলে মেয়েদের শিক্ষা জীবনে কোন প্রভাব না পড়ে, সে কথা মাথায় রেখে প্রধান শিক্ষকের বেধে দেওয়া টাকা দিয়ে ফরম পূরণ করতে বাধ্য হয়েছি।
বিদ্যালয়ের স্থানীয় কয়েকজন শুভাকাঙ্খিরা জানান, বিদ্যালয়ে কোন কমিটি নেই। প্রধান শিক্ষক বাদল কুমার নাগ নিজের সুবিধানুযায়ী আসেন যান। তার কাছে কেহ বিদ্যালয়ের সচ্ছ হিসাব নিকাশের কথা জানতে চাইলেও তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গির আলম বলেন, ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি আদায়ের কোন সুযোগ নেই। তিনি যদি আইন অমান্য করে ফরম পূরণে অতিরিক্ত ফি নিয়ে থাকেন; অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোশারফ হোসেন বলেন, বোর্ড নির্ধারিত ফি ব্যাতিরিকে কোন ক্রমেই অতিরিক্ত ফি আদায়ের সুযোগ নেই। তারপরও ওই শিক্ষক যদি বেশি ফি নিয়ে থাকেন অভিভাবকরা জানালে খোজ নিয়ে অবশ্যই ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বার্তাবাজার/পি