দিন দিন সর্বাত্মক লকডাউনের সময়সীমা যতই কমছে, রাজধানীর সড়কগুলোতে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ততই বাড়ছে। দোকান-শপিংমল খুলে দেয়াকে এর কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে গণপরিবহনের বিকল্প হিসেবে বিভিন্ন যানবাহনে একসঙ্গে অনেক মানুষ চলাচল করায় খরচ বাঁচলেও, থাকছে না স্বাস্থ্যবিধির বালাই। আর যারা একা যাতায়াত করছেন বিভিন্ন পরিবহণে, তাদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি খরচ।
এ অবস্থায় সরকারের নির্দেশ মোতাবেক বেশকিছু প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মীদের জন্য নিজস্ব পরিবহণের ব্যবস্থা করেছে।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ৫ই এপ্রিল থেকে প্রথম দফায় সাত দিনের বিধিনিষেধ আরোপ করে সরকার। তবে তার ধারাবাহিকতা চলে ১৩ই এপ্রিল পর্যন্ত।
এরপর ১৪ই এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় দফয় কঠোর বিধিনিষেধ দেয়া হয়, যা চলে ২১শে এপ্রিল পর্যন্ত।
আবার ২২শে এপ্রিল থেকে আরো এক সপ্তাহ কঠোর বিধিনিষেধের এই মেয়াদ বাড়ানো হয়। ২৮শে এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত দেশব্যাপী কঠোর বিধিনিষেধ বৃদ্ধি করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম