স্বাস্থ্যবিধি মেনে আজ রোববার থেকে খুলে দেয়া হয়েছে দেশের সকল শপিংমল-দোকানপাট। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখার কথা রয়েছে।
সিলেটের গোলাপগঞ্জে সকাল হতেই অনেকটা উৎসাহ নিয়ে ব্যবসায়ীরা খুলেছেন দোকানপাট- শপিংমল। দোকানপাট- শপিংমল খুললেও ক্রেতা শূন্য হয়ে পড়ায় বেচাকেনা একেবারেই নেই বলে জানান ব্যবসায়ীরা। তবে তারা আশা ছাড়ছেন না। যেহেতু সামনে ঈদ। ঈদকে সামনে রেখে শেষ মূহুর্তে জমে উঠবে বেচাকেনা। এমনটাই প্রত্যাশা ব্যবসায়ীদের।
করোনা মহামারী প্রতিরোধে সর্বাত্মক লকডাউনের কারণে গত ৩ সপ্তাহ থেকে বন্ধ রয়েছে দোকানপাট-শপিংমল। যার কারণে অনেকটা লোকসানের মধ্যে পড়তে হয়েছে ব্যবসায়ীদের। খেয়ে না খেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে নিরবে দিনাতিপাত করছেন অনেকে। যেহেতু এখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খুলে দেয়া হয়েছে তাই কিছুটা হলেও লোকসান গুসাতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। যতটুকু সম্ভব স্বাস্থ্য বিধি মেনে তারা ব্যবসা চালিয়ে যাবেন বলে জানান।
রোববার (২৫ এপ্রিল) উপজেলার সবচেয়ে বড় ব্যবসায়ীক কেন্দ্র পৌর শহরের গোলাপগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন অলিগলি ঘুরে দেখা যায়, আগের মত খোলা হয়েছে দোকানপাট। তবে ক্রেতা একেবারেই নেই। যারা আসছে দামে ধরে হলে কিনছেন না হলে চলে যাচ্ছেন।
ঘুরে ঘুরে বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীর সাথে কথা হলে তারা জানান, বেচাকেনা একেবারেই নেই। এতদিন লকডাউনে দোকানপাট বন্ধ ছিলো। অনেকটা কষ্ট করতে হয়েছে। আজ দোকানপাট খুললেও নেই ক্রেতা। তবে আশা করা যায়, ঈদকে সামনে রেখে আস্তে আস্তে জমে উঠবে বেচাকেনা।
ওয়াহাব প্লাজার কাপড় ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘দোকান খুলেছি। এখনও আগের সেই পুরানো কাপড় দোকানে। নতুন কাপড়ের জন্য অর্ডার দিয়েছি।’
আসিদ আলী শপিং কমপ্লেক্সের কাপড় ব্যবসায়ী মুন্না বলেন, ‘বেচাকেনা একেবারেই নেই। তবে হতাশ হচ্ছি না। প্রথম দিন মানুষ কম হলেও পরবর্তী আসবে।’
সকল ব্যবসায়ীরা আশা রাখেন ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে ব্যবসা তত জমে উঠবে। শেষ পর্যন্ত ব্যবসা জমে উঠলে এ কয়েকদিনের ক্ষতি পোষাতে পারবেন বলে তারা জানান।
ফাহিম আহমদ/বার্তাবাজার/পি