মহামারি করোনা ভাইরাসের উর্ধ্বগতি রোধে টানা ১১ দিন সর্বাত্মক লকডাউনের পর আজ রোববার স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলছে দোকান ও শপিংমল।
বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, সকাল ১০টা হতে বিকেলে ৫টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে দোকান ও শপিংমল।
এর আগে দোকান মালিক সমিতির নেতারা সংবাদ সম্মেলন করে সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট, দোকান ও ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার দাবি জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতেই দোকান ও শপিংমল খুলে দিল সরকার।
এদিকে দোকান ও শপিংমল খুলতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে মালিকরা। তবে দোকান ও শপিংমল খোলার প্রথম দিনে স্বাস্থ্যবিধির কিছুটা ব্যত্যয় ঘটলেও আগামীকাল থেকে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান ও শপিংমলে বেচা-কেনা চলবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন মালিক সমিতির নেতারা।
এ ব্যাপারে গত ২৩ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) বিস্তার রোধে শর্তসাপেক্ষে সার্বিক কার্যাবলি এবং চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আগের নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় ব্যাপকসংখ্যক মানুষের জীবন-জীবিকার বিষয় বিবেচনা করে নতুন এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরো উল্লেখ করা হয়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বাজার/সংস্থার ব্যবস্থাপনা কমিটি প্রয়োজনীয় সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমরা দোকান ও শপিংমল খুলতে রাজি এবং শতভাগ প্রস্তুত। এছাড়া আমাদের গত বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেটাকে কাজে লাগানো হবে।
তিনি আরো বলেন, যেসব মার্কট বা শপিংমল স্বাস্থ্যবিধি মানবে না, সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে। স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।
এর আগে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আট দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। লকডাউনের মধ্যে দোকান-শপিংমল বন্ধ রাখাসহ ১৩টি নির্দেশনা দেয় সরকার। সেই মেয়াদ শেষ হয় গত বুধবার (২১ এপ্রিল) মধ্যরাতে। তবে করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় লকডাউনের মেয়াদ আগামী ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম