বিয়ে করার একদিন পরেই ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে। এক তরুণি সোমবার (১৯ এপ্রিল) দিনগত মধ্যরাতে শহরের নিমানবন্দর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত জসিম উদ্দিন।
ছাত্রলীগ নেতা জসিম উদ্দিন শহরের সাগরদী ব্রাঞ্চ রোডের বাসিন্দা শুক্কুর আলীর ছেলে। গত ১৮ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করেন মহানগর ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম উদ্দিন।
অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বিমানবন্দর ওসি কমলেশ চন্দ্র হালদার জানান, গত সোমবার রাতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইছাকাঠী এলাকার এক তরুণী (২৫)। তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন, গত ৮ বছর ধরে জসিমের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছে। ২০১৯ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ওই তরুণীর একা বাসায় গিয়ে তাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে জসিম।
তিনি আরও বলেন, ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে তাকে অবৈধভাবে গর্ভপাত করানো হয়। এরপর ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করার কথা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। সর্বশেষ গত ৫ মার্চ রাতে ওই তরুণীর বাসায় গিয়ে তাকে আবারও ধর্ষণ করে জসিম। পরে বিয়ের জন্য জসিমকে চাপ দেয় সে। এ সময় জসিম অন্যত্র বিয়ে করেছে এবং তাকে বিয়ে করবে না বলে সাফ জানিয়ে দেয়। এতে ওই যুবতী মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। আত্মীয়-স্বজনের সাথে পরামর্শ করে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।
তবে অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে ছাত্রলীগ সভাপতি জসিম উদ্দিন বলেন, বরিশালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সবাই জানেন। এটা তার বিরুদ্ধে দলীয় প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্র বলে দাবী করেন তিনি। এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানানোর কথা বলেন তিনি।
বার্তা বাজার/এসজে