যশোরে বাহিরে লকডাউন ঘরে মশার শোডাউন

যশোরে ঘরের বাহিরে চলছে কড়া লকডাউন। যশোর বাসী যখন ঘরে সময় কাটাচ্ছে তখনই অপ্রত্যাশিত ভাবে বেড়ে গিয়েছে মশার উৎপাত।

লকডাউনে বেশির ভাগ সময়ই থাকতে হচ্ছে ঘরে। আর এমন সময়ে মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে শহরবাসী। দিনের বেলা তো আছেই সেই সাথে সন্ধ্যার পর ক্রমশ উপদ্রব বাড়তেই থাকে। ঘর তো দূরের কথা দিনের বেলাতেও দাড়ানো যায়না রাস্তাঘাটে দোকানপাটে।

প্রতিবছরই শীত মৌসুম যাবার সাথে সাথেই বাড়ে মশার উপদ্রব। তবে এ বছরের ন্যায় কোন বছরই এতো উপদ্রব দেখেনি যশোরবাসী। বৃষ্টি হলে এর উপদ্রব আরো চরম ভাবে বাড়তে পারে বলে মনে করছেন এ শহরে বসবাসকারীরা। আর এভাবে মশার কামড়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকেই।

এবারের মশার উপদ্রব দেখে গত বছরের মতো ডেঙ্গু রোগের আতঙ্কে ভুগছেন যশোরের বাসিন্দারা। পৌর এলাকায় মশক নিধন মেশিনের ঠাস্ ঠাস্ শব্দ পেলেও পরক্ষণে যেন আবারও মশার উপদ্রব বেড়ে ওঠে। আবার কোথাও কোথাও এখনও মশক নিধন স্প্রে করতে দেখা যায়নি বলে জানান শহরের অনেক বাসিন্দারা।

মশার কয়েল, ধোয়া, এরোসল সবকিছুই ব্যার্থ এই মশার কাছে। অফিস,আদালত,বাজার ঘাট, ব্যাবসায় প্রতিষ্ঠান সব জায়গাতেই দেখা গিয়েছে এই মশার এলাহি কান্ড।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জরুরী ভিত্তিতে এই মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করে মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারলে ডেঙ্গু নামক আরেক মহামারিতে পরিনত হতে পারে যশোর জেলা শহর।

যশোর পৌরসভার সচিব আজমল হোসেন বলেন, করোনার মহামারির সময় পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ব্যাস্ত সময় পার করছেন। তবুও আমাদের মশক নিধন কার্যক্রম অব্যাহত আছে। এটি আরও জোরদার ভাবে পরিচালনা করা হবে।

এ্যান্টনি দাস/বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর