হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেফতারের সময় হাতকড়া পরানো হয়নি।
পুলিশ তাকে বলে, ‘আপনাকে আমাদের সঙ্গে যেতে হবে’। এরপর শান্তভাবে হেঁটে মাদরাসা থেকে বের হয়ে আসেন তিনি। এ সময় আশেপাশের পরিবেশও শান্ত, স্বাভাবিক ছিল।
মামুনুল হককে গ্রেফতারের সময় হাতকড়া না পরানো নিয়ে তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশীদ বলেন, মামুনুল হককে গ্রেফতার করাটাই মুখ্য বিষয়। তাকে গ্রেফতার করে আমরা নিয়ে এসেছি। এসময় তাকে হাতকড়া পরানো বা না পরানোর নির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই।
নাশকতাসহ একাধিক মামলার আসামি হেফাজত নেতা মামুনুলকে গ্রেফতারের সময় হাতকড়া পরানো না হয়নি। অথচ সাংবাদিক প্রবীর সিকদার, ফটোসাংবাদিক কাজল, কার্টুনিস্ট কিশোর, কারাগারে মৃত্যুবরণকারী লেখক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী রুহুল আমিনকে গ্রেফতারের সময় ঠিকই হাতকড়া পরানো হয়। এ বিষয়টি নিয়ে সচেতন মহলের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।
মামুনুল হককে গ্রেফতারের সময় হাতকড়া পরানো হয়নি। তিনি হেঁটেই মাদরাসা থেকে বের হন। তাকে গাড়িতে তোলার সময়ও কেউ বাধা দেয়নি। তবে গাড়িতে তোলার পর কয়েকজনকে স্লোগান দিতে দেখা যায়।
এ ব্যাপারে ডিসি হারুন-অর-রশিদ বলেন বলেন, মামুনুলকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসা হয়েছে। এসময় আমরা কোনো বাধার সম্মুখীন হইনি।
এর আগে রোববার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া মাদরাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রায় দুই শতাধিক পুলিশ সদস্যদের উপস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় পল্টন থানায় ও রিসোর্টকাণ্ডে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় দুটি মামলা হয়েছে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি ২০১৩ সালের শাপলা চত্বর তাণ্ডবের ঘটনাতেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আছে।
বার্তাবাজার/নব