বুধবার (১৪ এপ্রিল) ভোর ৬টা থেকে পরবর্তী ৭ দিনের জন্য সারাদেশে কঠোর লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এজন্য প্রচুর মানুষ দল বেঁধে রাজধানী ত্যাগ করেছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে প্রবেশের একমাত্র পথ বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতুতে এজন্য ছিল যানবাহনের প্রচুর চাপ।
রোববার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে সোমবার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই ২৪ ঘন্টায় দেশের চালু থাকা বৃহত্তম সেতুটি দিয়ে পার হয়েছে ৩০ হাজারেরও বেশি যানবাহন। এই সময়ে গাড়িগুলো থেকে প্রাপ্ত টোলের পরিমাণ দাড়িয়েছে প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা। যা স্বাভাবিক সময়ের চেয়েও দ্বিগুন।
এছাড়া পণ্যপরিবহনে নিয়োজিত যানবাহন, ব্যক্তিগত ছোট যানবাহন ও মোটরসাইকেলের আধিক্য থাকলেও বিপুল সংখ্যক যাত্রীবাহী বাস পারাপার হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সেতু কর্তৃপক্ষের একাধিক সূত্র।
এদিকে দূরপাল্লার গণপরিবহণ চলাচল বন্ধের ঘোষণা থাকলেও মানছেন না অনেক পরিবহন চালকরা।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ওসি ইয়াসির আরাফাত বলেন, যে সমস্ত বাস মহাসড়কে আটকা পড়ে ছিল তারা নিজ নিজ ডিপো বা টার্মিনালে পার্কিং করার জন্য যাচ্ছে। এসব বাসে কোন যাত্রী পরিবহন করতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন, মহাসড়ক থেকে কোন প্রকার যাত্রী যেন পরিবহন না করতে পারে সেজন্য মোড়ে মোড়ে পুলিশের চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এর পরেও কিছু বাস গভীর রাতে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে চলাচল করার চেষ্টা করেছে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
বার্তা বাজার/এসজে