মেঘনায় স্পিডবোটের মুখোমুখি সংঘর্ষে সলিমগঞ্জের ব্যবসায়ী নিহত

নরসিংদী-সলিমগঞ্জ নৌরুটে মেঘনা নদীতে দুই স্পিডবোটের মুখোমুখি সংঘর্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার সলিমগঞ্জ বাজারের
হোটেল ব্যবসায়ী হানিফ মিয়া (৬৩) নামে একজন নিহত, ওই পরিবারের আরও ৫ জন আহত হয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যায় নরসিংদী সদর উপজেলার করিমপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হানিফ মিয়া (৬৩) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর থানার পাহাড়ীয়াকান্দি এলাকার মৃত সুরোজ মৌলভীর ছেলে ও অবসরপ্রাপ্ত বিআরডিবির কর্মকর্তা ও সলিমগঞ্জ বাজারের বিসমিল্লাহ হোটেলে মালিক ছিলেন।

আহতরা হলেন- নিহত হানিফ মিয়ার মিয়ার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (৫০), ছেলের বউ সানজিদা আক্তার (২৫ ) অপর ছেলে বউ ইমা (১৮), ভাতিজা বিল্লাল মিয়া (৩০) এবং বেয়াই মোসেন মিয়া (৪০) আহত এবং নিহতরা সকলেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর পাহাড়ীয়াকান্দি গ্রামের বাসিন্দা।

এ ঘটনায় স্পিডবোটের অপর যাত্রী নাহিদ মিয়া নামে দেড় বছরের এক শিশু নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজ নাহিদ মিয়া শহরের বানিয়াছল এলাকার ফারুক মিয়ার ছেলে এবং অপর স্পিডবোটের যাত্রী ছিলেন।

নিহতের ছেলে মোঃ মহসিন আলম জানান, বিকেলে নরসিংদীর একটি প্রাইভেট ক্লিনিক থেকে ডাক্তার দেখিয়ে স্পিডবোটে করে বাড়িতে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে নরসিংদী সদর উপজেলার করিমপুর ও শ্রীনগরে মধ্যবর্তী স্থানে পৌঁছলে সলিমগঞ্জ থেকে আসা স্পিডবোটের সাথে সংঘর্ষ হয়। এসময় আশপাশের লোকজন আমার পরিবারের সকলকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর ও বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে নিয়ে যায়। পরে আমার আব্বা হানিফ মিয়াকে নরসিংদী মুক্তি জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নরসিংদীর করিমপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মাহাবুব আলম জানান, খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে। তবে নিহত ব্যক্তি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে বিস্তারিত জানা যাবে। নিখোঁজ শিশুকে উদ্ধার করতে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা চেষ্টা চালাচ্ছেন।

মো.আক্তারুজ্জামান/বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর