যশোরের শার্শা উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের চান্দুড়িয়ারঘোপ গ্রামে ৮ বছরের মিম নামে এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে আলিম (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
গত শনিবার (১০ই এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮ টার সময় আলীম ধর্ষণ চেষ্টা করে। নিজেকে বাঁচাতে শিশুটির চিৎকারে ধর্ষন চেষ্টকারী আলিম ঘটনা স্থান থেকে পালিয়ে যায়।বর্তমান শিশুটি নাভারন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ধর্ষণ চেষ্টাকারী আলিম শার্শার চান্দুড়িয়ার ঘোপ গ্রামের রমজান আলীর ছেলে। এবং শিশুটি একই গ্রামের আলতাফ হোসেনের মেয়ে।
শিশুটির মা রাবেয়া বেগম বার্তা বাজারকে বলেন, বাড়িতে মেয়েকে একা রেখে কৃষি কাজ জমিতে কাজ করতে গিয়েছিল। তার বাবা উপজেলার একটি জুট মিলে কাজ করতে যায়। বাড়িতে কেউ না থাকায় এই সুযোগে আলিম ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে তার কন্যার মুখ চেপে ধরে পরনের প্যান্ট খুলে ফেলে। এরপর শিশুটি মুখ থেকে আলিমের হাত সরিয়ে দিয়ে চিৎকার করলে আলিম ঘটনা স্থান থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।
এদিকে শিশুটি মা আরো বলেন, ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রভাবশালীরা একই গ্রামের আবু তালেবের ছেলে আলিমুর রহমান ও লিটন হোসেন বিচার করে ৪০ হাজার টাকা নিয়েছে ওই আলিমের নিকট থেকে। কিন্তু এই টাকা কী করেছে তা আমরা জানি না।
তবে মেয়েটির চাচা জাহের আলী বলেন, তারা নিজেরাই কৈশলে বিচার করেছে আমরা সেখানে ছিলাম না । আমাদের ডাকেনি। এমনকি বিচারের টাকা মেয়েটির চিকিৎসার জন্যও দেওয়া হয়নি।
বিচারককারী আলিমুরের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে বলেন, একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। আমরা আলিমকে ডেকে মেয়েটির চিকিৎসা খরচ দিতে বলেছি। টাকা নিয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করেন।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার কাছে এরকম কোন ঘটনার অভিযোগ আসে নাই। আমি শুনেছি এরকম একটা কিছু হয়েছে। আর বিচার যারা করেছে তারাও টাকা নিয়েছে কিনা আমি জানি না। আমার নিকট আসলে আমি বিষয়টি অব্যশই দেখবো।
শার্শা থানা ওসি বদরুল আলম বার্তা বাজারকে বলেন, আমি খবর পেয়ে অভিযুক্ত আলিমকে আজ সোমবার (১২ এপ্রিল) আটক করেছি। যার শার্শা থানায় মামলা নং-২০।
বার্তাবাজার/ভি.এস