সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা জঙ্গিবাদ সৃষ্টির জন্য কওমি মাদ্রাসাকে দায়ী করে বলেছেন-আজাহারি বের হয়েছে, হেলিকপ্টার হুজুর বের হয়েছে,আফসারী বের হয়েছে, কওমি লাইনের এগুলা,শয়তান। পৃথিবীতে যত জঙ্গি আছে,আমাদের বাংলাদেশে যত জঙ্গি আছে। ম্যাক্সিমাম হলো কাওমি মাদ্রাসা থেকে বের হয়েছে। আমারা জামায়াতকে দোষ দিই। কিন্তু ম্যক্সিমাম জঙ্গি সৃষ্টি হয়েছে কওমি থেকে।
রোববার সন্ধ্যা ৭ টা থেকে ঘন্টা ব্যাপী তার ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন,অনেকে খুশি কারার জন্য মসজিদ বানায়,যাকাতের টাকা দিয়ে মসজিদ বানানো এটা কি ইসলাম সম্মত। যাকাতের টাকা প্রথম দিতে হবে যদি আপনার দরিদ্র কোন আত্বীয় স্বজন থাকে। গরীবের হক আপনাকে দিতে হবে। এই যাকাতের টাকা দিয়ে মসজিদ বানালে হবে না । মসজিদ আপনার অর্থ দিয়ে বানান। অনেকে এখন মসজিদ বানায়। সারাজীবন চাকুরি করে দুর্নীতি করে।
আর এলাকায় দাড়ি টুপি রেখে,কপাল ঘষে কালো করে মানুষকে দেখানোর জন্য আমি নামাজ পড়ে। কিছু কিছু দুর্নীতিবাজ নেতা শেষ বয়সে এসে এগুলো করে। আর দুর্নীতিবাজ সরকারি কর্মকর্তারা মসজিদ বানায় তারপর মক্তব বানায়,মাদ্রাসা বানায়। এসব মসজিদে নামাজ পড়লে নামাজ কি জায়েজ হবে? দুর্নীতিবাজদের মাদ্রাসায় কোরআন পড়লে, সে কোরআন কি ইসলাম সম্মত হবে?
কাদের মির্জা বলেন, এখন আবার চালু হয়েছে এলাকায় এলাকায় ক্যাডেট মাদ্রাসা বানায়, যে গুলোর কোন ভিত্তি নাই। বেকার সৃষ্টির কারখানা। সমস্ত ক্যাডেট মাদ্রাসায় ইসলামের কথা বলে সেখানে বেহেস্তের টিকিটের কথা বলে সব বাচ্চাদেরকে নিয়ে যাচ্ছে, সেখানে তারা বেকার সৃষ্টি করছে। এই ক্যাডেট মাদ্রাসার ছাত্ররা তাদের শিক্ষা জীবন শেষ করে তারা কি করবে? জামায়াতে ইসলাম করবে,ইসলামী ছাত্র শিবির করবে, হেফাজত করবে।
তিনি আরো বলেন, আমি মসজিদে কম যাই । অনেক হুজুর আছে,তাদের প্রতি ভক্তি নাই। আমার বাড়ীর দরজার এগুলোর প্রতি ভক্তি নাই। এরা চিহ্নিত রাজাকার,রাজাকার পরিবারের সন্তান। আমরা হেফাজত পালতেছি। একরাম-নিজাম এমপি হেফাজত দিয়ে মিছিল করায় আমার বিরুদ্ধে।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম