সালথায় হামলা: তদন্ত প্রতিবেদনে ৩ কোটি টাকার ক্ষতি

ফরিদপুরের সালথা উপজেলা পরিষদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় কমপক্ষে তিন কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে দেখিয়েছে তদন্ত কমিটি।

রোববার (১১ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসক অতুল সরকারের কাছে প্রতিবেদনটি জমা দিয়েছেন কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আসলাম মোল্লা।

তিনি বলেন, তদন্তে ক্ষয়ক্ষতির যে বিবরণ পাওয়া গেছে, তা প্রায় তিন কোটি টাকার সমপরিমাণ।

সালথার তাণ্ডবের ঘটনার বিষয়ে অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. তাসলিমা আলীকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। অন্যদিকে, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আসলাম মোল্লাকে প্রধান করে আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক অতুল সরকার বলেন, সালথার সহিংসতার ঘটনায় দু’টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। রোববার (১১ এপ্রিল) অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আসলাম মোল্লা তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। এছাড়া অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. তাসলিমা আলীকে প্রধান করে আরেকটি কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির প্রতিবেদন জমা দিতে আরও দু’দিন সময় লাগবে।

এদিকে, সহিংসতার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে আরও ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়াল ৬১।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল পাশা বলেন, সালথার ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ৬১ জনকে আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ হয়ে গ্রেফতার হয়েছেন দু’জন। তাদের পুলিশি পাহারায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আটককৃত ব্যক্তিদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৫৮ জনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৮ জনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে। তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত সালথা থানায় মোট পাঁচটি মামলা হয়েছে। সালথা থানার উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাচ্চু মাতুব্বর, ইউএনও’র গাড়িচালক মো. হাশমত আলী, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের নিরাপত্তারক্ষী সমীর বিশ্বাস ও উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) গাড়িচালক মো. সাগর সিকদার বাদী হয়ে মামলাগুলো দায়ের করেন।

বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর