হেফাজত থেকে বহিস্কার হতে পারেন মামুনুল

রিসোর্টে স্ত্রী দাবি করা ওই নারীকে নিয়ে অবরুদ্ধ হওয়ার পর হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতা মামুনুল হককে নিয়ে বেশ বিড়ম্বনায় পড়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে মামুনুল হক ফেসবুক লাইভসহ যেসব কর্মকান্ড করেছে সেগুলো নিয়ে তার সমর্থক ও দলের নেতাকর্মীরা প্রায় সবাই বিরক্ত।

যদিও নেতাকর্মীরা কেউ বিষয়টি প্রকাশ করছেন না। কিন্তু মামুনুল হক ইস্যুতে সাধারন মানুষ মাঝে হেফাজত সম্পর্কে যে নেতিবাচক ধারণার জন্ম হয়েছে তার জন্য তাকে দল থেকে সরিয়ে দেওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় দেখছেন না শীর্ষ নেতারা।

শুক্রবার (৯ এপ্রিল) হেফাজতে ইসলাম-এর চট্টগ্রাম ও ঢাকার শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নেতার সাথে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এমতাবস্থায় সংগঠনের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ণ রাখতে আপাতত মামুনুল হককে সংগঠন থেকে অব্যহতি দিতে ইচ্ছুক অধিকাংশ নেতা।
তবে এক্ষেত্রে পরিস্থিতি-প্রভাব বিবেচনায় নিয়ে ধীরে এগুতে চাচ্ছেন দলের নীতিনির্ধারকরা। এ নিয়ে দলের অভ্যন্তরে গভীর তদন্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে। আর এ তদন্ত দু’টি বিষয়কে সামনে নিয়ে এগুচ্ছে।

প্রথমত, মামুনুল হক কাণ্ডে সাধারণ মানুষের মাঝে কী ধরণের প্রভাব পড়েছে এবং সাধারণ মানুষ এখন হেফাজতকে কোন দৃষ্টিতে দেখছেন; দ্বিতীয়ত, মামুনুল হকের দাবি করা দ্বিতীয় স্ত্রী’র বিষয়ে আরও গভীরভাবে অনুসন্ধান করে প্রকৃত সত্য তুলে আনা।

এ দু’টি বিষয় বিশ্লেষণ করেই মামুনুল হক-এর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চায় হেফাজত। তদন্তে যদি নেতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হয় সেক্ষেত্রে মামুনুল হককে বহিষ্কারও করা হতে পারে। নীতিনির্ধারকদের কেউ কেউ মনে করছেন, মামুনুল হক নিজেই হয়তো দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিবেন।

হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগর শাখার সহ-সভাপতি মাওলানা ফজলুল করিম কাসেমী মনে করেন, মামুনুল হক-এর যে বিষয়গুলো প্রকাশ্যে এসেছে এগুলো তাঁর একান্তই ব্যক্তিগত। এর দায় দল নিবে না।

বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর