ভোলায় চার মুক্তিযোদ্ধা ভুয়া মর্মে অভিযোগ, তদন্তে সমাজ সেবা কর্মকর্তা

জাতীর শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধারা, যাদের আত্ম ত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন বাংলাদেশ, পেয়েছি লাল সবুজের পতাকা।
১৯৭১ সালে যারা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে তারাই আসল মুক্তিযোদ্ধা কিন্তু বিভিন্ন অসুদ উপায়ে অনেকে সংগ্রহ করেছে মুক্তিযোদ্ধা সনদ এমন খবর প্রায় পাঠক দেখে কিন্তু সেই ভুয়া অভিযোগে এবার ভোলা সদর উপজেলার ২নং ইলিশা ইউনিয়নের চার জনের নামে সংশিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়েছেন স্থানীয় আবদুর রব বেপারী নামে এক ব্যক্তি এবং ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন ও পোস্টার ব্যানার করেছে এলাকাবাসী।

জনৈক আবদুর রব বেপারীর অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় ইলিশা বাজার স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতে তদন্তে করেন ভোলা সদর উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকতা দেলোয়ার হোসেন।

এসময় তদন্তকারী কর্মকতা মুক্তিযোদ্ধা ও মৃত্যু মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং এলাকার গণ্যমান্য মুরুব্বীদের সাক্ষাৎকার নেন।
এলাকার শতাধিক গণ্যমান্য মুরুব্বীরা উপস্থিত হয়ে মুক্তিযোদ্ধা মুকবুল আহমেদসহ চার মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাতিলের দাবী জানান।
৫নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর মাষ্টার, বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফুর রহমান খাঁন এর সন্তান জিলন খাঁন, আওয়ামীলীগ নেতা আমজাদ হোসেন বাবুল জানান, এরা ছিলো রাজাকার কিন্তু এখন অসুদ উপায়ে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়ে সরকারী সুযোগ সুবিধা নিচ্ছে।
এই বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা হযরত আলী বলেন, আমি আর আমার চাচাতো ভাই ছালেক এক সাথে যুদ্ধ করেছি তবে মুকবুলরা কোথায় যুদ্ধ করেছে আমি জানিনা।

মুকবুল আহমেদ এর বক্তব্য জানতে ফোন করলে তার ছেলে স্কুল শিক্ষক মোছলেউদ্দিন বলেন,বাবা অসুস্থ্য কথা বলতে পারবে না, তার বাবার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের সাথে তাদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছে, তাই এমন অভিযোগ করছে।

এই বিষয়ে ইলিশা ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাবিবুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমাদের ইউনিয়নে তালিকাভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা ১৫ জন এর মধ্যে ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে শুনেছি তবে কতটুকু সত্য আমার জানা নাই।

তদন্তকারী কর্মকতা উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার দেলোয়ার হোসেন বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে আমি সরজমিনে এসে স্থানীয় মুরুব্বী এবং মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তানদের সাথে কথা বলেছি, আমি সরজমিনে যা পেয়েছি আমার উদ্ধোর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিবো।

মোঃ অনিক/বার্তাবাজার/ভি.এস

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর