লকডাউনে বইমেলা: প্রকাশকরা চান, প্রকাশকরাই চান না

লকডাউনে সব কিছু বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরেও বেশ আবদার করে চেয়ে পাওয়া বইমেলা এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রকাশকদের। লকডাউনে দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলা মেলায় পাঠক নেই বললেই চলে। এমতাবস্থায় নিজের অর্থনৈতিক ক্ষতির দিক বিবেচনায় সেই আবদার করে মেলা চেয়ে আনা প্রকাশকরাই চাচ্ছেন বন্ধ করে দিতে।

তাদের মতে, একদিকে করোনা সংক্রমণ বাড়ায় জনমনে শঙ্কা, অন্যদিকে লকডাউনে বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন। এত প্রতিকূলতা নিয়ে মানুষ মেলায় আসবে না এটাই স্বাভাবিক। মানুষই যদি না আসে তাহলে মেলা চালু রেখে লাভ কী?

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত অমর একুশে বইমেলার জন্য বরাদ্দ করা ১৫ লাখ বর্গফুটের বিশাল এই এলাকায় হাতেগুনা কিছু দর্শনার্থী ছিল।

এই পরিস্থিতিতে নিজেদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষায় ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ অংশের ২০ জন প্রকাশক ব্যক্তি উদ্যোগে মঙ্গলবার তাদের স্টলগুলো বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই স্টলগুলো হলো- ইন্তামিন, ইছামতি, শৈলী, গৌরব, স্বরবৃত্ত, একরঙা এক ঘুড়ি, রাবেয়া, গতিধারা, বটেশ্বর, নিমফিয়া, বাবুই, নওরোজ, নৃ, সুলেখা, শিল্পতরু, হাসি, দেশজ।

ক্ষতিগ্রস্ত এসব প্রকাশকদের পক্ষে প্রকাশনা সংস্থা ইন্তামিন এর মালিক এএসএম ইউনুছ বলেন, এবারের মেলা এমনিতে জমেনি। যখন মেলায় জমে উঠতো তখন বন্ধ করা হচ্ছে। বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত নতুন সময়সূচির প্রস্তাব করেছিলাম। কিন্তু বাংলা একাডেমি তাদের খেয়াল খুশি মতো কাজ করছে। আর লকডাউন দেওয়ার পরে মেলাতো মুমূর্ষু অবস্থায় চলে গেছে। গণপরিবহণ বন্ধ থাকায় মেলায় যখন মানুষই আসতে পারছে না তখন মেলা করে লাভ কী?

বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর