হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকসহ ১৭ জনের নামে দায়ের করা মামলার তদন্ত চলছে। সেই তদন্তে যদি মামুনুল হক জড়িত থাকার প্রমাণ মিলে তাহলে তাকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সৈয়দ নুরুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই কথা জানান।
ডিসি মতিঝিল বলেন, , তদন্তে যদি মামুনুল হকের জড়িত থাকার প্রমাণ মেলে তবে তাকে গ্রেফতার করা হবে। এক্ষেত্রে আমরা কারো বিরুদ্ধে রাজনৈতিক নেতা বিবেচনায় নয়, অপরাধী বিবেচনায় ব্যবস্থা নেবো। মামলাটি আমরা তদন্ত করছি। তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি বলেন, এজাহারে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাদের অনেকের রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে। তবে আমরা কোনো পদ বিবেচনায় নেব না। আমরা অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে অপরাধীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। মামলাটি গতকাল রাতে হয়েছে। এখনও প্রি-ম্যাচিউরড রয়েছে। আমরা আসামিদের প্রকৃত পরিচয়, তারা বর্তমানে কোথায় অবস্থান করছে, ২৬ তারিখ তারা কোথায় ছিল, বায়তুল মোকাররমে সরাসরি উপস্থিত ছিল কি না, তারা নাশকতার নির্দেশ-উসকানি দিয়েছে কি না, হামলার অর্থদাতা বা মাস্টারমাইন্ড কি না তা শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতারসহ যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
উল্লেখ্য, গত ২৬ মার্চ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে মামুনুল হকের নির্দেশে ১৭ হেফাজত নেতার নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ দা, ছোরা, কুড়াল, কিরিচ, হাতুড়ি, তলোয়ার, লাঠিসোটাসহ অতর্কিত হামলা চালানো হয়, এমন অভিযোগ উল্লেখ করে ৫ এপ্রিল মামলাটি করেন ওয়ারী এলাকার টাইলস ব্যবসায়ী আরিফ-উজ-জামান। হামলায় তিনিও গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়।
বার্তা বাজার/এসজে