গুলশানের হিলটন স্পা সেন্টারে অভিযান

নিজেদের এলাকায় করোনা স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করছিল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এমন সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গুলশানের একটি স্পা সেন্টারে হানা দেয় আভিযানিক দল। বন্ধ দরজা ভেঙে পাওয়া যায় অবৈধ স্পা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের চিত্র।

মঙ্গলবার (৬ এপ্রিল) ডিএনসিসির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা (উপসচিব) মোহাম্মদ আবদুল হামিদ মিয়ার নেতৃত্বে অভিযান চলছিল রাজধানীর গুলশান এলাকায়। তখনই খবর আসে গুলশান-২ এর জাহেদ প্লাজায় একটি অবৈধ স্পা সেন্টার রয়েছে।

তথ্যের ভিত্তিতে জাহেদ প্লাজার পঞ্চম তলায় অভিযান পরিচালনা করে ডিএনসিসি। অনেকক্ষণ গেটে নক করলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ আসেনি। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তালার মিস্ত্রি এনে খোলা হয় স্পা সেন্টারের গেট।

তবে এর আগেই বিকল্প পথে স্পা সেন্টারের ভেতরের সবাই পালিয়ে যায় বলে ডিএনসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়।

অভিযান পরিচালনাকারী দলের সদস্যদের বর্ণনা মতে, ভিতরে সিঙ্গেল সিঙ্গেল রুম। সব রুমের সঙ্গে আছে অ্যাটাচড ওয়াশরুম। সাজানো আছে স্পা সেন্টারের টাওয়েল, লোশনসহ অন্য সব উপকরণ। একটি রেজিস্ট্রারও পাওয়া যায়। যেখানে মঙ্গলবারের গ্রাহকদের তথ্যও আছে।

এ বিষয়ে ডিএনসিরির প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল হামিদ মিয়া বলেন, আমরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করার সময় খবর পাই পাশেই একটি স্পা সেন্টার খোলা রেখে অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে। সেই সংবাদের ভিত্তিতে এখানে এসে দেখি তারা গেট বন্ধ রেখেছে।

পিছনের গেট দিয়ে তারা পালিয়ে গেছে। ভবন মালিক এবং মিস্ত্রিকে ডেকে লক ভাঙার পর ভিতরে ঢুকে দেখলাম পরিবেশটা এমন যে এখান অনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল বলে বোঝা যাচ্ছে। এখানের সব কিছু জব্দ করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবো। সিসি ক্যামেরা, রেজিস্টার্ড খাতা, ডিভাইস এসব কিছু দেখে আমরা সার্বিক পর্যালোচনা করবো।-বাংলানিউজ।

বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর