মামুনুলের বিরুদ্ধে মামলায় যে অভিযোগ আনা হয়েছে

বায়তুল মোকাররম ও পল্টন এলাকায় নাশকতার অভিযোগে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এই মামলায় হেফাজতে ইসলামের ১৭ নেতাকে আসামি করা হয়েছে।

এছাড়াও অজ্ঞাত পরিচয় আসামি করা হয়েছে আরও ২-৩ হাজার ব্যক্তিকে। রাজধানীর পল্টন থানায় সোমবার (৫ এপ্রিল) ভুক্তভোগী একজন ব্যবসায়ী বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২৬ মার্চ দুপুরে বায়তুল মোকাররম মসজিদে জুমার নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে বাদী উগ্র মৌলবাদী ব্যক্তিদের উচ্ছৃঙ্খল,ধর্মান্ধ ব্যক্তিদের জুতা প্রদর্শন, রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান ও কথোপকথন থেকে জানতে পারেন, হেফাজত নেতা মামুনুল হকের নেতৃত্বে শীর্ষস্থানীয় হেফাজত, জামায়াত-শিবির ও বিএনপি নেতারা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গোপন বৈঠক করে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠান বানচালের ষড়যন্ত্র করেছে। একই সঙ্গে ঢাকাসহ সারাদেশে ব্যাপক নৈরাজ্য সৃষ্টির পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্র করেন।

পূর্বপরিকল্পিতভাবে উক্ত ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের জন্য তারা দা, হাতুড়ি, তলোয়ার, বাঁশ, লঠি, ছোরা, কুড়াল, কিরিজ, শাবল, পাইপগান ও রিভলবার নিয়ে বাদীসহ অন্য মুসল্লিদের ওপর হামলা করে।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, মামুনুল হকের প্রত্যক্ষ হুকুমে হেফাজত নেতা মওলানা জুনায়েদ আল হাবিব তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে লোহার রড দিয়ে মাথা লক্ষ্য করে বাড়ি দেন। এ সময় প্রাণরক্ষায় বাদী সরে গেলে আল হাবিব তার ডান পায়ের হাঁটুর নিচে বড় রড দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। এসময় তিনি মাটিতে পড়ে গেলে অন্য হেফাজত নেতারা বাঁশের লাঠি দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন। মামলার একজন সাক্ষীকেও ধারালো কিরিচ দিয়ে হত্যার উদ্দেশে মাথার পেছনে গুরুতর জখম করেন।

বার্তাবাজার/নব

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর