যশোরের এইচ.এম.এম রোড সহ শহরের সকল মার্কেট, শপিং মল বন্ধ থাকলেও ভিড় দেখা গিয়েছে কাঁচাবাজার এবং মুদিখানার দোকান গুলোতে।
আজ সোমবার (০৫ এপ্রিল) সকাল থেকেই লকডাউন কার্যকর করতে মাঠে ছিলো পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালত। শহরের বেশ কয়েকটি জায়গায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করে মাস্ক না পরা এবং গোপনে ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার অপরাধে বিভিন্ন অংকে অর্থদন্ড করা হয়। এসময় মাক্স পরিধান ও কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধী পালন করতে হুশিয়ারিও দেন ম্যাজিস্টেট।
অন্যদিকে সকাল থেকে পৌরসভায় বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ড কাউন্সিলর কতৃক সতর্কবানী প্রচার করা হয়েছে। লকডাউন সম্পর্কিত সতর্কতা জানাতে পুলিশকে গাড়ি যোগে মাইকিং করতেও দেখা গিয়েছে পুরো শহরে।
অন্যদিকে নির্দেশনা অমান্য করে রিক্সা ও ইজিবাইকে যাত্রী পরিবহন করার অপরাধেও বেশ কয়েকটি ইজিবাইক ও রিক্সা পুলিশি হেফাজতে আটকে রাখতে দেখা যায়।
তবে সকালের দিকে কাঁচাবাজারে ও মুদিখানা বাজারে ছিলো ব্যাপক জনসমাগম। কোন কোন ক্রেতাকে চাহিদার চেও বেশি বাজার করতে দেখা গিয়েছে। কারন জানতে চাইলে তারা বলেন, লকডাউনে ক্রমশ দ্রুবমূল্যের দাম উর্ধগতী তাই আগে থেকে বাজার করে রাখছি।
দুপুরের পর থেকে পুলিশ ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের টহল দেখে আস্তে আস্তে মানুষ ঘরে ফিরতে শুরু করে। বিকাল থেকেই একেবারে জনশুন্য হয়ে পড়ে শহরের মুল সড়ক ও মোড়গুলো।
লকডাউন কার্যকর করতে পরের দিনগুলোও একইভাবে টহল ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে বলে জানান যশোর জেলা প্রশাসন। সেই সাথে যশোর বাসীকে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবি্ধি মানার হুশিয়ারি করা হয়।
এ্যান্টনি দাস/বার্তাবাজার/ভি.এস