গর্ভের সন্তানকে মৃত ঘোষণা করলেন চিকিৎসক, পরক্ষণেই জীবিত প্রসব
গর্ভে থাকা সন্তানকে মৃত বলে ঘোষণা দেওয়ার কিছুক্ষণ পর স্বাভাবিকভাবেই জীবিত সন্তান প্রসব করেছেন ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার এক নারী। রোববার (৪ এপ্রিল) বিকালে এই ঘটনা ঘটেছে চরফ্যাশন পৌর সদরের হাসপাতাল রোডে।
ভুক্তভোগী ওই নারীর নাম ফাতেমা বেগম (২৩)। তিনি উপজেলার নুরাবাদ ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. শরিফের স্ত্রী।
জানা যায়, শনিবার সকালে প্রসব বেদনায় কাতর ফাতেমার রক্তক্ষরণ শুরু হলে তাকে উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে পরীক্ষা করে চিকিৎসকরা জানান, ফাতেমার গর্ভে মৃত সন্তান। সেখান থেকে তাকে পাঠানো হয় বরিশাল হাসপাতালে। তবে তাকে দেওয়া আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্টে চিকিৎসক সই করেননি।
পরে ফাতেমার পরিবার তাকে বরিশাল না নিয়ে রোববার (৪ এপ্রিল) দুপুরে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক নুর মোহাম্মদ তালুকদার আগের রিপোর্ট দেখে রোগীর প্রেসক্রিপশনে আইইউডি উল্লেখ করে হাসপাতালে ভর্তির অনুমতি দেন।
চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তির পরে প্রসূতি বিভাগের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক হাসপাতালে রোগীর অপারেশন করা সম্ভব না বলে রোগীকে বরিশাল নিয়ে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দেন। সন্ধ্যায় স্থানীয়দের কাছ থেকে টাকা পয়সা ধার-দেনা করে অসহায় ওই রোগীকে অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে বরিশালের পথে রওয়ানা হয় স্বজনরা। এদিকে হাসপাতাল সড়কেই প্রসূতি জীবিত নবজাতক পুত্র সন্তান প্রসব করেন। এ সময় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ওই রোগীকে ভর্তি করে তার পরিবার।
এ বিষয়ে ডা. মরিয়ম আক্তার সোনিয়া সঠিক তথ্য গোপনের উদ্দেশ্যে সংবাদকর্মীদের কাছে নানানভাবে তথ্য উপস্থাপন করে।
তিনি বলেন, আল্ট্রায় গর্ভের শিশুর হার্টবিট না থাকায় আইইউডি উল্লেখ করে দ্বিতীয়বার দেখার জন্য বরিশাল রেফার্ড করা হয়েছে।