এখনও নাগাল পাওয়া যায়নি শীতলক্ষ্যায় লঞ্চকে ধাক্কা মেরে ডুবিয়ে ২৮ জনকে হত্যা করা সেই কার্গো জাহাজটির। ধাক্কা দিয়ে লঞ্চটিকে ডুবিয়ে দিয়ে পালানোর সময় জাহাজটির পিছু নেয় একটি স্পিডবোট। কিন্তু মেঘনা নদীতে পৌঁছার পর জাহাজটি থেকে বৃষ্টির মত পাথর নিক্ষেপ করার পর স্পিড বোটটি পিছু হটে। এই সুযোগে পালিয়ে যায় জাহাজটি।
ঘটনাস্থলের কাছাকাছি থাকা একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, পেছনের দিক থেকে একটি পাথবোঝাই কার্গো যাত্রীবাহী রাবিতা আল হাসান লঞ্চটিকে ধাক্কা দিয়ে ডুবিয়ে দেয়। এরপরই জাহাজটি শীতলক্ষ্যা নদী হয়ে ধলেশ্বরী দিয়ে মেঘনার দিকে পালিয়ে যায়।
কিছুক্ষণ পর ব্রিজের কাজে নিয়োজিত একটি স্পীড বোট জাহাজটির পিছু নেয়। ধাওয়া করে মেঘনা নদীতে যাওয়ার পর কোষ্টার থেকে পাথর ছুঁড়ে মারে স্পীড বোটটিকে লক্ষ্য করে। এতে ভীত হয়ে স্পিড বোটটি পিছু হটে যায়।
মুক্তারপুর নৌ-পুলিশ স্টেশন ইনচার্জ কবির হোসেন খান জানান, কোস্টার থেকে স্পিড বোটকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ করা হয়। এর ফলে স্পিড বোটটি পিছনে ব্যাক করে চলে আসি। পরে আর ওই কোস্টারটির পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সীগঞ্জে আসার পথে রোববার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে একটি কোষ্টার প্রচন্ড গতিতে যাত্রীবাহী এমএল সাবিত আল হাসানকে ধাক্কা দিলে শতাধিক যাত্রী নিয়ে শীতলক্ষ্যায় ডুবে যায়। এই ঘটনায় ২৮ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বার্তা বাজার/এসজে