বগুরার শেরপুরে হোটেলে বসে খাবার খাওয়ানো এবং স্বাস্থ্যবিধি না মেনে অপ্রয়োজনে বাইরে ঘোরাঘুরি করায় শেরপুর উপজেলায় ৭ জনের ২ হাজার ৮০০ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ লিয়াকত আলী সেখ, শেরপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজীউর রহমান এবং শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ শহীদুল ইসলাম ৫ এপ্রিল সোমবার শেরপুরে লকডাউন কার্যকরী করতে ধুনট মোড়, কলেজ রোড, হাট-বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সম্মিলিতভাবে অভিযান পরিচালনা করেন।
জানা যায়, উপজেলা নির্বাহি অফিসার মো. লিয়াকত আলী সেখ সংগীয় অফিসার ও ফোর্সদের সাথে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে সরকারি আদেশ অমান্য করে হোটেলে বসে খাবার খাওয়ানোর অপরাধে একজনকে ১ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
এছাড়াও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, সাবরিনা শারমিন লকডাউন কার্যকরী করতে হাসপাতাল রোড,দুবলাগাড়ী,গোসাইবাড়ি বটতলা, বনমরিচা বটতলা,কলেজ রোড,বাসস্ট্যান্ড,বারোদুয়ারী হাট, শেরুয়া বটতলা,শেরশাহ মার্কেট,উত্তরা প্লাজা, জাহানারা কমপ্লেক্স,ডক্টরস কমপ্লেক্স,ধুনট মোড়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।
এ সময় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে মাস্ক পরিধান ছাড়াই অপ্রয়োজনে বাইরে ঘুরাঘুরি করায় ৬ জনকে ১ হাজার ৮০০ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।মোবাইল কোর্টে শেরপুর থানা পুলিশের সদস্যরা এবং শেরপুর উপজেলা ভূমি অফিসের স্টাফবৃন্দ সার্বিক সহযোগিতা করেন।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, সাবরিনা শারমিন বলেন, ‘লকডাউনের নিয়ম-কানুন করবে যারা পন্ড মোবাইল কোর্টে তাদের পেতেই হবে দন্ড। লকডাউন কার্যকরী করতে উপজেলা প্রশাসন, মোবাইল কোর্ট চলমান থাকবে।
রাশেদুল হক/বার্তাবাজার/পি