বইমেলায় পাঠক নেই, কালবৈশাখীতে বিধ্বস্ত স্টল

করোনাকালে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে দেশে ৭ দিনের লকডাউন শুরু হয়েছে। এদিন গণপরিবহন বন্ধ থাকার পাশপাশি সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত অফিস-আদালত ও বেসরকারি অফিসের জরুরি প্রয়োজনে নিজস্ব পরিবহন সীমিত চলছে।

তবে দেশে সবকিছুতেই লকডাউন কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও অমর একুশে বইমেলায় রাখা হয়েছে কিছু ছাড়। দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলবে এই মেলা।

কিন্তু সোমবার দুপুরে মেলায় গিয়ে তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। বইমেলায় ১৯তম দিনে প্রথম লকডাউন। এদিন পাঠক-দর্শনার্থী একেবারে নেই বললেই চলে মেলা প্রাঙ্গণে।

দেখা গেছে, দুপুর ২টা পর্যন্ত মেলার অধিকাংশ স্টল বন্ধ ছিল। গত রাতের ঝড়-বৃষ্টিতে ভিজে গেছে অনেক বই। বৃষ্টির পানি ঢুকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্যাভিলিয়নের মেঝে এবং সেখানে থাকা বইগুলো।

কয়েকটি প্রকাশনীর কর্মীকে দেখা গেছে, ভেজা বই রোদে শুকাতে। এ ছাড়া কয়েকজন প্রকাশক তাদের স্টল একেবারেই বন্ধ করে ফেলেছেন।

বইমেলার শিশু চত্বরের একজন প্রকাশক বলছিলেন, বাধ্য হয়েই স্টল বন্ধ করেছি। লকডাউনের ফলে স্টলের কর্মীরা আসতে পারছেন না। এরপর ঝড়-বৃষ্টিতেও ক্ষতি হয়েছে অনেক।

বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর