প্রেসক্লাবকে মসজিদের মত পবিত্র উল্লেখ করে গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, প্রেসক্লাব অত্যন্ত পবিত্র একটা জায়গা। প্রেস ক্লাবে আক্রমণ করা আর মসজিদে আক্রমণ করা একই মনে করি। সাংবাদিকদের কাজ হলো সত্য তুলে ধরা, আপনারা অনেক জায়গায় সেটি করে যাচ্ছেন।
শনিবার (৩ এপ্রিল) ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের হরতাল চলাকালে ক্ষতিগ্রস্থ প্রেসক্লাব পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন।
ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, আজকে আমি শহরে (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) ঢোকার আগেই তাঁরা (পুলিশ) খোঁজ নিচ্ছে আমি কোথায় যাব না যাব। এতোটা সচেতন আছে পুলিশ। সেই পুলিশ কীভাবে এতোবড় ঘটনার খবর জানলো না।
তিনি বলেন, মোকতাদির চৌধুরী (স্থানীয় সংসদ সদস্য) সরাসরি পুলিশকে ব্লেইম করেছেন। এই মুহূর্তে আমরা কোনো মন্তব্য করতে চাই না। শুধু দুঃখ প্রকাশ করতে পারি।
ডা. জাফরুল্লাহর নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রেসক্লাবে এলে ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন হামলা-ভাঙচুরের বর্ণনা দেন। এরপর প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি তার ওপর করা হেফাজত কর্মী-সমর্থকদের হামলার বিষয়টি তুলে ধরেন।
এ সময় ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর সাথে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ভাষানী অনুসারী পরিষদের মহাসচিব শেখ রফিকুল ইসলাম ও প্রেসিডিয়াম সদস্য নাঈম জাহাঙ্গীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইশতিয়াক আজিজ ও ব্যরিস্টার সাদিয়া আরমানসহ প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধি দলটি বিকেল নাগাদ ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ঘুরে দেখেন।
বার্তা বাজার/এসজে