ধামইরহাটে ফসলি মাঠজুড়ে হাসছে সূর্যমুখী ফুল

নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলায় প্রথম বারের মতো সূর্যমুখী ফুল চাষে ব্যস্ত হয়ে পরেছেন প্রান্তিক পর্যায়ের সাধারণ কৃষকরা। নানান জল্পনা কল্পনা কাটিয়ে শুরু থেকে সঠিক পরিচর্যায় বর্তমানে ফসলের মাঠজুড়ে হাসছে সূর্যমুখী ফুল। খুব অল্প সময়ের মধ্যে কৃষকরা ঘরে তুলবেন তাদের ফসল এবং ভালো ফলনের স্বপ্ন দেখছেন তারা।

উপজেলা কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, সারাবিশ্বে সূর্যমুখী তেলের দাম বাড়তি হওয়ায় বাংলাদেশে নানান স্থানে বাণিজ্যিক ভাবে চাষাবাদ হচ্ছে সূর্যমুখী ফুল। তারই ধারাবাহিকতায় ধামইরহাট উপজেলায় এবছরে হাইব্রীড জাতের মোট ২০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে সূর্যমুখী ফুল। কৃষি পূর্নবাসন কর্মসূচির আওতায় কৃষককে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে ভালো ফলন ঘরে আনতে পারবেন কৃষকরা এবং অন্য দিকে মিটবে সূর্যমুখী তেলের চাহিদা এমনটা আশা করছেন কৃষি বিভাগ।

অন্যদিকে এই সূর্যমুখী ফুল গাছ লম্বায় প্রায় ৩মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে এবং ফুলের ব্যাস ৩০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। এ ফুল দেখতে সূর্যের মত হওয়ায় এর নামকরণ হয়েছে সুর্যমুখী ফুল।

এবিষয়ে উপজেলার উমার ইউনিয়নের দূর্গাপুর এলাকার কৃষক জয়নাল আবেদীন জানান, বাজার থেকে ২৫০ গ্রাম খোলা বীজ ক্রয় করে আমার ৫শতাংশ জমিতে বীজ বপণ করি। দীর্ঘ দিন কঠোর পরিচর্যার মাধ্যমে বর্তমানে ফসলে সোনালী রঙে হাসছে ফুলগুলো। প্রথমবারের মতো এলাকায় এমন ফুল চাষ করায় বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন আসে ফুলের সাথে ছবি তুলতে। ইতি মধ্যে এলাকায় আমি একজন ভাইরাল কৃষক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছি। তবে কৃষি অফিস থেকে ভালো পরামর্শ পেলে আগামীতে বেশি পরিমাণ জমিতে ফুল চাষ করবেন বলে আশা করছেন তিনি।

এদিকে সূর্যমুখী ফুলের তেল বাজারে গুণগত মান ভালো হওয়ায় এবং উপজেলার ফসলি মাটি এই ফুল চাষাবাদ করার উপযুক্ত হওয়ায় আগামীতে বড় পরিসরে সূর্যমুখী ফুল চাষাবাদে কৃষককে পরামর্শ প্রদানের লক্ষে কাজ করবেন বলে জানান কৃষি অফিসের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তারা।

রেজুয়ান আলম/বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর