যশোর পৌরসভার মেয়র হলেন মুক্তিযোদ্ধা হায়দার গনী

কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই সুষ্ঠ ও নির্বিঘ্নে আজ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল যশোর পৌরসভা নির্বাচন।

আজ বুধবার সকাল ৮ থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত যশোরের ৫৫ টি কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলে।

পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হায়দার গনী খান পলাশ ৩২ হাজার ৯শ’৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন।

তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মোহাম্মদ আলী সরদার পেয়েছেন ১২ হাজার ৯শ’৪৬ ভোট। অন্যদিকে আগেই নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি প্রর্থী। নির্বাচনী মাঠে না থেকেও বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী মারুফুল ইসলাম ৭ হাজার ৩শ’ ২ ভোট পেয়েছেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার হুমায়ুন কবীর বার্তা বাজার কে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়া যশোর পৌরসভার কাউন্সিলর পদে ১ নম্বর ওয়ার্ডে সাহিদুর রহমান (পাঞ্জাবী), ২ নম্বর ওয়ার্ডে শেখ রাশেদ আব্বাস রাজ (পানির বোতল), ৩ নম্বর ওয়ার্ডে শেখ মোকছিমুল বারী (গাজর), ৪ নম্বর ওয়ার্ডে জাহিদ হোসেন (টেবিল লাম্প), ৫ নম্বর ওয়ার্ডে রাজিবুল আলম (ব্লাক বোর্ড), ৬ নম্বর ওয়ার্ডে আলমগীর কবির সুমন(পাঞ্জাবী), ৭ নম্বর ওয়ার্ডে শাহেদ হোসেন নয়ন ( ব্লাকবোর্ড), ৮ নম্বর ওয়ার্ডে প্রদীপ কুমার নাথ বাবলু (উটপাখি), ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আসাদুজ্জামন (পানির বোতল) বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

ভোট গ্রহন চলাকালীন সময়ে নাজির শংকরপুর কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার অনুপ কুমার দে বার্তা বাজার কে বলেন, এ কেন্দ্রে ৩ হাজার ২৮০ জন ভোটার ছিলো। বেলা ১২ টার মধ্যে ৩০ শতাংশ ভোট পড়েছে। আশা করা যায় কেন্দ্রে ৫০ শতাংশের ওপরে ভোট কাস্ট হবে।

এমএসটিপি গার্লস স্কুল অন্ড কলেজ কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার জিয়াউর রহমান বার্তা বাজার কে বলেন, নিরপেক্ষ ভাবে নির্বিঘ্নে ভোটগ্রহণ হয়েছে। কোনো বিশৃঙ্খলা হয়নি। এই কেন্দ্রে ২ হাজার ৬৩০ ভোটার ছিলো। দুপুর ২ টার মধ্যে ৩৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। আশা করা যায় ৬০ শতাংশ ভোট কাস্ট হতে পারে।

ঘোপ এন এম খান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রিজাইডিং অফিসার মোহাম্মদ আজিজুল হক পাটোয়ারি বার্তা বাজার কে বলেন, ভোটাররা সারিবদ্ধভাবে ভোট দিয়েছে। ভোটার ও প্রার্থী কারো কোনো অভিযোগ নেই। ভোটে সবাই সন্তুষ্ট। বেলা ১ টা পর্যন্ত কেন্দ্রের ভোটারের উপস্থিতি ছিলো ২১ শতাংশ। বৃদ্ধ ভোটার শেখ ইসমাইল বলেন, সরকারি এম এম কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছি। ইভিএম পদ্ধতিতে এতো সহজে ভোট দেওয়া যায় এটা আমরা যশোরবাসী সর্বপ্রথম দিচ্ছি। আমাদের মনের মধ্যে একটা অন্য রকম আনন্দ কাজ করছে। ভোটের পরিবেশও খুবই সুন্দর ছিলো।

যশোর পৌরসভার ৫৫টি কেন্দ্রে মোট ৪৭৯টি বুথে ভোটগ্রহণ হয়। নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তিন প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। তবে, বিএনপির প্রার্থী ইতোমধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন থেকে সরে যান। এছাড়া কাউন্সিলর পদে ৪৭জন ও নারী কাউন্সিলর পদে ১৩জন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন।

এ্যান্টনি দাস(অপু)/বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর