রাস্তাভর্তি মানুষ, বাসে অর্ধেক যাত্রী নেওয়ায় ভোগান্তির শেষ নেই
কোটি মানুষের শহর রাজধানী ঢাকায় এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার প্রধান মাধ্যম গণপরিবহন। করোনার পরিস্থিতি আবারও অবনতি হওয়ায় ৬০ শতাংশ ভাড়া বেশি দিয়ে অর্ধেক যাত্রী বহনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে গণপরিবহন গুলোকে।
যার ফলে কর্মস্থলগামী মানুষের ভোগন্তি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। বুধবার (৩১ মার্চ) সকাল থেকেই রাজধানীর সবগুলো বাস স্টপেজে এই চিত্র দেখা গিয়েছে।
দেখা যায়, কোনো একটা স্টপেজে বাস এসে থামলেই মানুষের হুড়োহুড়ি শুরু হয়। কার আগে কে উঠবে এই নিয়ে চলে প্রতিযোগীতা। এর ফলে বেশিরভাগ লোকই বাসে ওঠার সুযোগ পাচ্ছে না। আর যাত্রীদের জটলা ও চাপাচাপিতে স্বাস্থ্যবিধিও মানা হচ্ছে না।
এদিকে এমন সংকটে লোকাল বাসগুলোও তাদের গেট বন্ধ করে চলাচল করতে দেখা গেছে। মাঝে মাঝে যাত্রী নামানোর জন্য কোথাও থামলে সেখানেই শুরু হয় চাপাচাপি। দুয়েকজন উঠতে পারলেও অপেক্ষায় থাকেন প্রচুর যাত্রী।
তবে কেউ কেউ সিএনজি চালিত অটোরিকশা বা বিভিন্ন শেয়ারিং রাইডেরও আশ্রয় নিয়েছেন বাধ্য হয়ে। আবার অনেক যাত্রীকেই পায়ে হেঁটে গন্তব্যের দিকে রওনা দিতে দেখা গেছে।
যাত্রীরা বলেন, স্বাভাবিক যান চলাচলের মধ্যেও অফিসের আগে ও পরে ঢাকায় বাস সংকট দেখা যায়। সিটিং সার্ভিসগুলোতেও বেশি ভাড়া দিয়ে মানুষ দাঁড়িয়ে চলাচল করেন। আর এর মধ্যে বাসে অর্ধেক যাত্রী বহন করায় যাত্রীদের বিশেষ করে অফিসগামীরা আরও বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। সবকিছু খোলা রেখে বাসে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে গিয়ে যাত্রীরা এককথায় বিপদেই পড়েছেন। কেউ কেউ প্রশ্ন করছেন, মোড়ে মোড়ে হাজারো মানুষের জটলা বেধে বাসের জন্য অপেক্ষার জেরে কতোটা নিশ্চিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি?
এদিকে, রাজধানীতে চলাচলরত প্রায় সব বাসগুলোতে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে বাড়তি ভাড়ায় চলাচল করতে দেখা গেছে। কিছু কিছু বাসে উঠার সময় যাত্রীদের হাতে স্যাভলন পানি দিতে দেখা গেছে।
বার্তাবাজার/এসজে