উত্তপ্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে প্রশাসনের দাবি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকদিন ধরেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া। রোববার (২৮ মার্চ) সারাদিন হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতাল পালিত হয়েছে সেখানে।

তবে সহিংসতা শুরু চতুর্থ দিনে জেলার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে দাবি করছে প্রশাসন। স্থানীয় সংবাদাতাদের মতে সোমবার (২৯ মার্চ) সকাল থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। রাস্তায় অল্প পরিসরে যান চলাচল শুরু হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রুহুল আমিন জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এ বিষয়ে আর তেমন কিছু জানাননি তিনি।

গত শুক্রবার (২৬ভ মার্চ) থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভে এই জেলায় বেশ কয়েকজনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। সদর হাসপাতাল থেকে পাওয়া তথ্যানুসারে, এ পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু হেফাজতে ইসলাম দাবি করছে, ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মোদিবিরোধী চুমান বিক্ষোভের পর রোববার (২৮ মার্চ) সারাদেশে হরতাল কর্মসুচি পালন করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এসময় সারাদেশে কমবেশি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বেশি সংঘর্ষ হয়েছে হেফাজতের।

গত শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে একজন নিহত হয়। শনিবার বিক্ষোভে পুলিশ ও বিজিবির সাথে সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন বিক্ষোভকারী মারা যান। ওই দিন রাতের বেলা আরো একজনের মৃত্যুর খবর জানায় স্থানীয় সংবাদদাতারা। রোববার সরাইলে নিহত হয় দু’জন।সূত্র: বিবিসি।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর