বগুড়ায় প্রাণ হারিয়েছেন আ’লীগের ১২ নেতাকর্মী!

আধিপত্য বিস্তার আর ক্ষমতার দাপট দেখানোকে কেন্দ্র করে বগুড়ায় খুনের সংখ্যা বেড়েই চলছে। গত ১ বছরে আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের মধ্যেই এমন হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২টি। এসব নির্মম হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার নিয়েও শঙ্কায় আছে চাপা কান্না লুকিয়ে রাখা ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

গত ১৬ মার্চ ছুরিকাঘাতে মারা যান জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক তাকবির ইসলাম খান। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাশ ছেলের মৃত্যুতে এখন শোকে বিহ্বল পরিবার। নিজ দলের নেতার হাতে খুন হওয়ায় ছেলের হত্যাকাণ্ডের বিচার পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছে তার বাব-মা।

এর আগে গত ২২ ফেব্রুয়ারি খুন হন যুবলীগ কর্মী আল ফোরকান। তাকে শহরের ফুলতলা এলাকায় হত্যা করা হয়। গত বছরের ১৩ জুন খুন হন যুবলীগ কর্মী শাকিল। এর পরদিন ছুরিকাঘাতে খুন হন সাবগ্রাম বন্দর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তালেব।

তার আগে ৫ জুন চাপাতির আঘাতে মারা যান জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হানিফ মিস্টার। মে মাসের ২৬ তারিখ পৌর যুবলীগের ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ শেখ খুন হন।

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আসাদুর রহমান দুলু বলেন, হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ হিসেবে প্রেস-রিলিজ নির্ভর নেতা নির্বাচন, আধিপত্য বিস্তার, পদ পদবির আশা।

পুলিশ সুপার বগুড়া আলী আশরাফ ভুঁইয়া বলছেন, দলীয় বিবেচনায় না নিয়ে প্রতিটি হত্যাকাণ্ডই গুরুত্বসহকারে তদন্ত হচ্ছে। গত ১ বছরে এই জেলায় ৪৭টি খুনসহ মোট ২৩০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বার্তাবাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর