বিকেল থেকেই অবরুদ্ধ কাদের মির্জা

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের আলোচিত বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জাকে পৌরসভা কার্যালয়ে পুলিশ অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় আবদুল কাদের মির্জা বলেন, পুলিশ আমার নেতা-কর্মীদের আসতে দিচ্ছে না পৌরসভা কার্যালয়ে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অনুসারী নেতা-কর্মীদের নিয়ে ‘স্বেচ্ছায় কারাবরণের প্রস্তুতি’ নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন কাদের মির্জা।

এদিকে এঘটনায় পুলিশ বলছে, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কাদের মির্জার কাছে তাঁর অনুসারীদের যাতায়াত সীমিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক বলেন, আবদুল কাদের মির্জা ঘণ্টায় ঘণ্টায় নতুন নতুন কর্মসূচি নিয়ে মাঠ গরম রাখার চেষ্টা করেন। করোনাযোদ্ধাদের সম্মাননা দেওয়ার নামে সে রকমই একটি চেষ্টা আজ বিকেলে বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।

তিনি বলেন, বসুরহাট পৌরসভা কার্যালয় ঘিরেই এখন বেশির ভাগ পুলিশের অবস্থান। পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ মানুষজন ছাড়া কাদের মির্জার নেতা-কর্মী যাঁরা কারণে–অকারণে তাঁর আশপাশে ঘোরাঘুরি করেন, তাঁদের যাতায়াত সীমিত করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে আজ রোববার বিকেল থেকে ওই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে আবদুল কাদের মির্জা অভিযোগ করে বলেন, করোনাকালে বিশেষ অবদান রাখায় তিনি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. সেলিমসহ পাঁচজনকে সম্মাননা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আজ বেলা তিনটায় পৌরসভা কার্যালয়ে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলেন। কিন্তু বিকেলে পুলিশের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার নেতৃত্বে একদল পুলিশ এসে তাঁর অনুষ্ঠানটি বন্ধ করে দেন। এরপর পুলিশ চারদিক থেকে পৌরসভা কার্যালয় ঘিরে রেখেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কোম্পানীগঞ্জের সার্বিক পরিস্থিতির তদারকিতে জেলা পুলিশের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সেখানে অবস্থান করে বিষয়গুলো দেখভাল করছেন।

বার্তাবাজার/এ.আর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর