৬ ডিসেম্বরকে ‘মৈত্রী দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে-পররাষ্ট্রমন্ত্রী

৭-২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানমালায় যোগ দিতে পাঁচজন বিদেশী রাষ্ট্র/সরকারপ্রধান বাংলাদেশ সফর করেছেন। তারই ধারাবাহিকতায় এ অনুষ্ঠানমালার শেষ বিশেষ অতিথি হিসেবে এবং বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে গতকাল বাংলাদেশ সফরে এসেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী। করোনা মহামারীর মধ্যে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর এটিই প্রথম বিদেশ সফর। গতকাল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমানবন্দরে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালায় বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তৃতা প্রদানকালে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী ও শতাব্দীর মহানায়ক বঙ্গবন্ধুকে “One of the greatest leaders of the world in modern times” হিসেবে আখ্যায়িত করে সমগ্র ভারতের জনগণের পক্ষ থেকে তাঁকে সশ্রদ্ধচিত্তে সম্মান জানান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ভারত বঙ্গবন্ধুকে ২০২০ সালের “গান্ধী শান্তি পদক”-এর বিরল সম্মাননায় ভূষিত করেছে। এছাড়া, দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয়ে “বঙ্গবন্ধু চেয়ার” স্থাপনের ঘোষণাও দিয়েছে ভারত। চিরায়ত সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক নৈকট্য এবং ঐতিহাসিক মেলবন্ধনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ-ভারত বহুমুখী অংশীদারিত্ব বিগত অর্ধশতাব্দী ধরে বিবর্তিত, বিকশিত ও সমৃদ্ধ হয়েছে। দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘মডেল’ হিসেবে বিবেচ্য আমাদের এই অকৃত্রিম বন্ধুত্বকে অনবদ্য দ্যোতনা প্রদান করেছে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর এই সফর। গতকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে আমার সাক্ষাত হয়েছে। ২৭/০৩/২০২১ ইং তিনি আমাদের মহামান্য রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন।

গতকাল বাংলাদেশ ও ভারতের দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে অত্যন্ত হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে একটি আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সফরটি যদিও কিছুটা ceremonial, তারপরও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বহুমাত্রিক ও বিস্তৃত পরিসরে দুই পক্ষের মধ্যে অত্যন্ত অর্থবহ ও substantive আলোচনা হয়েছে। ফলশ্রুতিতে, বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও বেগবান ও জোরদার হবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। মানবসম্পদ ও ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, সন্ত্রাসবাদ অবসান ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রগতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্জিত অভূতপূর্ব সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উৎসব যৌথভাবে উদযাপনের বিভিন্ন পরিকল্পনাও তাঁদের আলোচনায় স্থান পায়। এ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ২০২২ সালে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আপনারা জানেন, ভারত স্বাধীন বাংলাদেশকে কূটনৈতিক স্বীকৃতি প্রদান করেছিল ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১। এজন্য ৬ ডিসেম্বরকে “মৈত্রী দিবস” হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। যৌথ উদযাপনের ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলমান রয়েছে। Deliverables এর একটি comprehensive তালিকা আমরা আপনাদের দিয়ে দিচ্ছি। ঐতিহাসিক মুজিবনগর-নদীয়া সড়কটিকে “স্বাধীনতা সড়ক” নামকরণে বাংলাদেশের প্রস্তাবকে ভারত স্বাগত জানিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট ব্যস্ততা ও সময়-স্বল্পতার কারণে এখনই সড়কটি উদ্বোধন করা না গেলেও, ভারতীয় পক্ষের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্নের পর joint celebrations এর অংশ হিসেবে অচিরেই এটি উদ্বোধন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক ভারসাম্য বাংলাদেশের অনুকূলে আনা এবং বাণিজ্য অবারিত করার উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে trade facilitation measures নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। উভয় পক্ষ Tariff এবং Non-Tariff Barriers অপসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। বাংলাদেশ থেকে পাটজাত পণ্য রপ্তানির ওপর ২০১৭ সাল থেকে ভারত কর্তৃক আরোপিত anti-dumping duties প্রত্যাহারের অনুরোধ জানানো হয়েছে। স্থলবন্দরগুলোর (LCSs) অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার ওপরও দুই প্রধানমন্ত্রী জোর দেন। Harmonization of standards বিষয়ে BSTI এবং Bureau of Indian Standards (BIS) এর মধ্যে নিবিড় সহযোগিতার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়াও বাংলাদেশের বিভিন্ন সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রে বর্ধিত হারে ভারতীয় বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে robust আঞ্চলিক কানেক্টিভিটির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন দুই নেতা। সড়ক, রেল ও নৌপথে মাল্টিমোডাল কানেক্টিভিটির মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী উদ্যোগসমূহের প্রশংসা করেছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। “ভারত-মিয়ানমার-থাইল্যান্ড Trilateral Highway” প্রকল্পে যুক্ত হতে বাংলাদেশের আগ্রহের কথা ভারতকে জানানো হয়েছে। “BBIN Motor Vehicles Agreement” বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্যে “ত্রিদেশীয় Enabling MoU”টি দ্রুত স্বাক্ষরের প্রয়োজনীয়তার ওপর দুই নেতা বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। ভারতীয় ভূখন্ড ব্যবহার করে নেপাল ও ভুটানে আরো বৃহত্তর পরিসরে access চায় বাংলাদেশ। এজন্য বাংলাদেশ নতুন কিছু রুট অনুমোদনের জন্য ভারতকে অনুরোধ জানিয়েছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ থেকে নেপালে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে দূরত্ব, সময় ও ব্যয় বহুলাংশে হ্রাস পাবে এবং বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। সম্প্রতি উদ্বোধন হওয়া “চিলাহাটি-হলদিবাড়ী রেল রুট” ব্যবহার করে ভুটানের সাথে বাংলাদেশের রেল কানেক্টিভিটি স্থাপনের বিষয়ে আমাদের আগ্রহের কথাও ভারতকে জানানো হয়েছে। ফেনী নদীর ওপর সম্প্রতি উদ্বোধন হওয়া “মৈত্রী সেতু”র কথা উল্লেখ করে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর সাথে পরিবহন সংযোগ স্থাপনের বিষয়ে বাংলাদেশের উদার সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী মোদী আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। দুই প্রধানমন্ত্রী “নিউ জলপাইগুঁড়ি-ঢাকা রুটে” যাত্রীবাহী ট্রেন সার্ভিস চালুর ঘোষণা দিয়েছেন। মহামারী পরিস্থিতির উন্নয়ন সাপেক্ষে যত দ্রুত সম্ভব বিমান, বাস ও ট্রেনযোগে এবং স্থলবন্দরগুলোর মধ্য দিয়ে ভ্রমণ সুবিধা উন্মুক্ত করে দেয়ার লক্ষ্যে একযোগে কাজ করে যাবে দুই দেশ। কোভিশিল্ড ভ্যাক্সিনের দুই মিলিয়ন ডোজ উপহারের জন্য এবং ৫ মিলিয়ন ডোজের প্রথম ব্যাচের দ্রুত ডেলিভারির জন্য বাংলাদেশ বন্ধুরাষ্ট্র ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। ভারতের সেরাম ইন্সটিটিউট থেকে ক্রয়কৃত অবশিষ্ট ভ্যাক্সিন নিয়মিত সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

যৌথ নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার ওপর বাংলাদেশের অলংঘনীয় অধিকারের বিষয়টি বরাবরের মতোই জোরালোভাবে উত্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি তিস্তার পানিবন্টনের “অন্তর্বর্তী চুক্তি” দ্রুত সম্পাদনের জোর দাবী পুনর্ব্যক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী জানান, চুক্তিটি দ্রুত স্বাক্ষরে ভারত আন্তরিকভাবে অঙ্গীকারাবদ্ধ এবং এ বিষয়ে প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। মনু, মুহুরী, খোয়াই, গোমতী, ধরলা ও দুধকুমার—এই ছয়টি trans-boundary নদীর পানিবন্টনের অন্তর্বর্তী চুক্তির ফ্রেমওয়ার্ক চূড়ান্তকরণের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে দুই দেশের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। “Upper সুরমা-কুশিয়ারা সেচ প্রকল্পে” কুশিয়ারা নদীর পানি ব্যবহারের উদ্দেশ্যে রহিমপুর খালের অবশিষ্টাংশ খননের আবশ্যকতার ওপর গুরুত্বারোপ করে “কুশিয়ারা নদীর পানি withdrawal এর জন্য প্রস্তাবিত MoU” স্বাক্ষরে ভারতের দ্রুত সম্মতি কামনা করেছে বাংলাদেশ। বিদ্যুৎ ও জ্বালানী ক্ষেত্রে দুদেশের মধ্যে বিদ্যমান সহযোগিতা, বিশেষতঃ নেপাল ও ভুটানকে সাথে নিয়ে উপআঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, seasonal complementarities ও ব্যয় সাশ্রয়ের নিরীখে নেপাল ও ভুটানে উৎপাদিত জলবিদ্যুৎ ব্যবহারে আগ্রহী বাংলাদেশ। ভুটানের সাথে সদ্য সম্পাদিত Joint Statement-এও বিদ্যুৎ ক্ষেত্রে ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতার প্রসংগটি উঠে এসেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রাজ্ঞ নেতৃত্বে আজ আমরা energy surplus দেশে পরিণত হয়েছি। আমরা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের energy-deficit এলাকায় বিদ্যুৎ রপ্তানি করতে চাই। Line of Credit (LoC) এর আওতাধীন প্রকল্পগুলোকে আরো বেগবান করার ব্যাপারেও দুই প্রধানমন্ত্রী আলোচনা করেছেন। এ বিষয়ে গঠিত উচ্চ পর্যায়ের কমিটিকে তাঁরা প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

নিরাপত্তা ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার বিষয়ে উভয় নেতা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নিরাপত্তা বিধানে বাংলাদেশের অকুন্ঠ সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে ভারত। সীমান্তে একজন বাংলাদেশীও যেন কোনো কারণেই BSF কর্তৃক নিহত না হন, সেটি নিশ্চিত করার জোরালো দাবী উত্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সীমান্তে শান্তি, সম্প্রীতি ও স্থিতাবস্থা বজায় রাখার লক্ষ্যে “Comprehensive Border Management Plan (CBMP)”এর আওতায় BGB ও BSFকে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করে যাবার নির্দেশনা দিয়েছেন দুই প্রধানমন্ত্রী। ঝুঁকিপূর্ণ চলাফেরা পরিহার করতে সীমান্তবর্তী এলাকার নাগরিকদেরকে সচেতন করে তোলার কার্যক্রম (sensitizing campaign) পরিচালনারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রথাগত এজেন্ডার বাইরে নতুন কতিপয় emerging ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ব্যাপারেও দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এগুলো হল: ডিজিটাল টেকনলজি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির cutting edge areas, Artificial Intelligence, নিউক্লিয়ার প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, technology-enabled স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাত এবং Bio-Security Hazards।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ শীঘ্রই “দ্বিতীয় বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট” উৎক্ষেপন করবে। মহাকাশ ও স্যাটেলাইট গবেষণায় দুই দেশ একযোগে কাজ করে যেতে সম্মত হয়েছে। আপনারা জানেন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, যুব উন্নয়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং Small and Medium Scale Enterprises (SMEs) এর ক্ষেত্রে বাংলাদেশের skill enhancement বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পেয়েছে। এসব ক্ষেত্রে ভারতকে আমরা skill development training course offer করেছি। ভারত এটিকে স্বাগত জানিয়েছে। বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীদের জন্য এক হাজার স্কলারশিপের ঘোষণা দিয়েছে ভারত। রোহিংগা ইস্যুতে ভারত আমাদের অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছে। বাংলাদেশ অক্টোবর ২০২১ হতে Indian Ocean Rim Association (IORA) এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করবে। এজন্য ভারত আমাদেরকে অভিনন্দন জানিয়ে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

এছারাও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাথে গতকাল সৌজন্য সাক্ষাতকালে আলোচনায় স্থান পেয়েছে

১) Rooppur Power Evacuation Project এর পাঁচটি প্যাকেজ ২) মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী ভারতীয় সৈনিকদের স্মরণে আশুগঞ্জে নির্মিতব্য স্মৃতিস্তম্ভ । সফরকালে দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে উদ্বোধন/উন্মোচন করেছেন ৪ টি সমঝোতা স্মারক ১) তিনটি বর্ডার হাট ২) শিলাইদহের কুঠিবাড়িতে রবীন্দ্র ভবন ৩) ঢাকায় Bangabandhu-Bapu Digital Exhibition ৪) বাংলাদেশ-ভারত কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণজয়ন্তীর স্মারক ডাকটিকেট । সফরকালে্ সর্বমোট পাঁচটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে ভারতের সাথে বাংলাদেশের ।

আফরোজা/বার্তা বাজার/এস.আর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর