মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায় বিচার বৈঠকে সংঘর্ষ হয়ে তিন যুবক নিহত হওয়ার ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে। শুক্রবার (২৬ মার্চ) বিকেল পর্যন্ত এ ঘটনায় পুলিশ এজাহার নামীয় পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে এবং তদন্তের জন্য আটক করা হয়েছে এক জনকে।
নিহত আওলাদ হোসেন মিন্টু প্রধানের স্ত্রী খালেদা আক্তার বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মোট ২৭ জনের বিরুদ্ধে মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- জাহাঙ্গীর হোসেন (৫৫), জামাল হোসেন (৫০), রনি (২২), ইমরান হোসেন (২০) ও রাহুল প্রধান (২০)। আর তদন্তের জন্য আটক করা হয়েছে গ্রেফতার জামালের স্ত্রী নাসরিন বেগমকে (৪০)।
নিহত যুবকরা হলেন- উত্তর ইসলামপুর এলাকার কাশেম পাঠানের ছেলে মো. ইমন হোসেন (২২) ও একই এলাকার বাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. সাকিব হোসেন (১৯)।
স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, রাত ১০টার দিকে ইভটিজিংয়ের একটি ঘটনা নিয়ে সালিশ বৈঠক হয়। এসময় ঘটনাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়।
এনিয়ে স্থানীয় কিশোর সৌরভ ও ইমনের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এক পর্যায়ে সৌরভ গ্রুপ ও ইমন গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই ইমনের মৃত্যু হয়। গুরুতর অবস্থায় ঢাকা নেওয়ার পথে সাকিবের মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় বিচারকসহ আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন। তাদের মধ্যে তিনজনকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) রাজীব খান জানান, বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১২টার দিকে নিহত মিন্টুর স্ত্রী খালেদা আক্তার ১২ জনের নাম উল্লেখ করে ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এজাহার নামীয় আসামিদের মধ্যে গ্রেফতার পাঁচ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যহত রয়েছে।
বার্তাবাজার/এ.আর