গণহত্যা দিবস স্মরণে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন

একাত্তর সালের ২৫ মার্চ বাঙালিদের উপর পাকিস্তানী বাহিনীর চালানো গণহত্যার দিনটির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেছে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ।

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজের আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এ প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করা হয়। একাত্তরের গণহত্যার ৫০তম বছরের এই আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের স্মরণে ২৫ মার্চের দ্বিতীয় প্রহরে সামিল হন অত্র কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

অধ্যক্ষ এ টি এম সোহেল বলেন, বাঙালির মুক্তির আন্দোলনের শ্বাসরোধ করতে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে এ দেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামের সেই অভিযানে কাল রাতের প্রথম প্রহরে ঢাকায় চালানো হয় গণহত্যা। ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যান, শুরু হয় বাঙালির প্রতিরোধ পর্ব।

মোমবাতি প্রজ্জ্বল ব্যাপারে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রাসেদ খাঁন বার্তা বাজারকে বলেন, দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধে ত্রিশ লাখ শহীদের আত্মদান, আড়াই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানি এবং জাতির অসাধারণ ত্যাগের বিনিময়ে ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় চূড়ান্ত বিজয়। বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। সেই বাংলাদেশ আগামী ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে পৌঁছাচ্ছে, আর তার আগের দিন পূর্ণ হচ্ছে ২৫ মার্চের সেই কালরাতের ৫০ বছর।

১৯৭১ এ আমাদের উপর যে গণহত্যা হয়েছে সেই বিচারের দাবি করে যেতে হবে শেষ মুহূর্ত অবধি। দেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আমরা করতে পেরেছি, এবার সময় যুদ্ধাপরাধের জন্য পাকিস্তানের বিচারের দাবি জোরদার করা। তবেই এই লড়াই পূর্ণতা পাবে।

এম এ মালেক/বার্তাবাজার/হৃ.আর

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর